নিজস্ব প্রতিবেদক
পথের ধুলোয় মলিন শিশুর মুখে যখন ফুটে ওঠে হাসি, তখনই বোঝা যায়—কোনো সংগঠনের কাজ কতটা অর্থবহ। সেই স্বপ্ন বুননের সংগঠন ‘নগরফুল’ এবার পূর্ণ করেছে এক দশক। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সংস্কৃতি ও মানবিক কার্যক্রমে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পাশে থেকে নগরফুল হয়ে উঠেছে চট্টগ্রামের এক আলোকবর্তিকা।
শুক্রবার (২২ আগস্ট) বিকেলে চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমি পরিণত হয় এক প্রাণের উৎসবে। ব্যানারে লেখা—‘এক দশক নগরফুল: শিশুদের জন্য, মানবতার জন্য।’ চারপাশে রঙিন বেলুন, হাসিমুখে শিশুরা, স্বেচ্ছাসেবকদের উচ্ছ্বাস—সব মিলিয়ে ভিন্ন এক আবহ।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন— নগরফুল শুধু সংগঠন নয়, এটি আশার আলো। অবহেলিত শিশুদের জন্য এমন উদ্যোগই পারে সমাজ বদলাতে।
প্রতিষ্ঠাতা বায়েজিদ সুমন এক দশকের পথচলার গল্প তুলে ধরে বলেন, শত শত শিশুর হাসি আর স্বপ্নই আমাদের সাফল্যের পরিমাপ। নগরফুলের প্রতিটি স্বেচ্ছাসেবকই এই যাত্রার নায়ক।
অনুষ্ঠানে প্রকাশিত হয়—এক দশক পূর্তি ম্যাগাজিন, আর সম্মাননা পান সেইসব স্বেচ্ছাসেবক ও শুভানুধ্যায়ী যারা দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনের পাশে থেকেছেন। শেষে যখন শিশুরা মঞ্চে গান, নাচ আর আবৃত্তি পরিবেশন করে, তখন উপস্থিত অতিথিরাও মুগ্ধ হয়ে হাততালি দেন।
অতিথিরা তাঁদের বক্তব্যে বলেন—নগরফুল আসলে এক পরিবার, যার কেন্দ্রবিন্দুতে আছে অবহেলিত শিশুরা।
দীর্ঘ দশ বছরের যাত্রায় নগরফুল শুধু চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেনি, বরং সমাজে রেখে গেছে দৃষ্টান্ত। সামনে আরও বড় স্বপ্ন নিয়ে তারা এগিয়ে যেতে চায়—প্রতিটি শিশুর মুখে হাসি ফোটানো।
এসএস
