নিজস্ব প্রতিনিধি
নিয়োগবিধি সংশোধন এবং ১৪তম গ্রেডে বেতন-ভাতাসহ ছয় দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে চট্টগ্রামে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন স্বাস্থ্য সহকারীরা। দাবি না মানলে ১ সেপ্টেম্বর থেকে ইপিআই কার্যক্রম বন্ধের ঘোষণা।
মঙ্গলবার (৮ জুলাই) সকাল ৮টা থেকে চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সামনে বাংলাদেশ হেল্থ এসিস্ট্যান্ট এসোসিয়েশন-এর ব্যানারে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, দেশে ভ্যাকসিন কার্যক্রম সফলভাবে পরিচালনা করে আমরা আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করলেও এখনও প্রাপ্য মর্যাদা থেকে বঞ্চিত। বিগত সরকারগুলো কেবল আশ্বাসই দিয়েছে, বাস্তবে কোনো অগ্রগতি হয়নি।
তাদের ৬ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে:
১. নির্বাহী আদেশে নিয়োগবিধি সংশোধন করে শিক্ষাগত যোগ্যতা ‘স্নাতক (বিজ্ঞান)’ যুক্ত করে ১৪তম গ্রেড প্রদান।
২. ইন-সার্ভিস ডিপ্লোমা প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্বাস্থ্য সহকারীদের টেকনিক্যাল পদমর্যাদায় উন্নীত করে ১১তম গ্রেডে উন্নয়ন।
৩. পদোন্নতির ক্ষেত্রে ধারাবাহিক উচ্চতর গ্রেড নিশ্চিতকরণ।
৪. পূর্বের নিয়োগবিধিতে নিয়োগপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য সহকারীদের অভিজ্ঞতা অনুযায়ী স্নাতক স্কেলে আত্মীকরণ।
৫. টাইম স্কেল/উচ্চতর গ্রেড প্রাপ্তদের পুনঃনির্ধারিত স্কেলে অন্তর্ভুক্তি।
৬. ইন-সার্ভিস ডিপ্লোমা (এসআইটি) সম্পন্নকারীদের ডিপ্লোমাধারী হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে সরাসরি ১১তম গ্রেড প্রদান।
বাংলাদেশ হেল্থ এসিস্ট্যান্ট এসোসিয়েশন চট্টগ্রাম জেলা শাখার সভাপতি মো. ফজলুল হক চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক এস এম কুদরাত-ই-খুদা রকির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, যাদের মধ্যে ছিলেন শাকিলা আরা চৌধুরী রশ্মি, মঈনুল আহমদ আলী সাগর, মহিউদ্দিন চৌধুরী, লোকমান হাকিম বাদশাহ, কাজী সাইফুল ইসলাম, হাসিনা বেগম, এস এম মিজানুর রহমান, আবুল কালাম, শামসুল আলম চৌধুরী, লকিয়ত উল্লাহ, করিমুন্নেসা সাদেকা ও আবদুল মোমেন।
বক্তারা আরও জানান, আমরা কর্মসূচির পূর্বেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে স্মারকলিপি দিয়ে দাবি জানিয়েছি। প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দ্রুত দাবি পূরণ না হলে আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে ইপিআইসহ সব কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।
তারা সরকারের প্রতি দ্রুত দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জানান এবং আন্দোলন আরও জোরদার করার হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।
এসএস
