বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২

অবিলম্বে সংসদ ভেঙে দিতে হবে : আবুল খায়ের ভূঁইয়া

প্রকাশ: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ | ২:০২ অপরাহ্ণ আপডেট: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ | ৫:৩৩ অপরাহ্ণ
অবিলম্বে সংসদ ভেঙে দিতে হবে : আবুল খায়ের ভূঁইয়া

সাম্পান ডেস্ক:

বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভূঁইয়া বলেছেন, শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকার জন্য নানারকম ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত করছে। সর্বশেষ তার একজন অখ্যাত সাচ্চা কর্মীকে দেশের রাষ্ট্রপতি বানিয়েছে। যিনি অতীতে ভালো কোন অবদান রাখেন নাই। তিনি দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার ছিলেন। তিনি সেখানে আওয়ামীলীগের দুর্নীতিবাজ সবাইকে পরিষ্কার করে দিয়েছেন। সেজন্য শেখ হাসিনা তার প্রতি আস্থা রেখেছে। কিন্তু দেশের জনগণ এধরনের রাষ্ট্রপতিকে মেনে নেয়নি। নিশিরাতের সংসদে কাকে রাষ্ট্রপতি বানালো সেটা নিয়ে বিএনপি’র কোন মাথা ব্যাথা নেই। আমাদের দাবী একটাই। সেটা হলো শেখ হাসিনাকে পদত্যাগ করতেই হবে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে হবে। দেশের মানুষ আজ তারেক রহমানের নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ।

শনিবার (২৫ ফেব্রুয়ারী) বিকেলে বোয়ালখালী আরাকান সড়কস্থ মিলিটারী পুল এলাকায় বিএনপির কেন্দ্র ঘোষিত  কর্তৃত্ববাদী সরকারের পদত্যাগ ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ১০ দফা দাবী বাস্তবায়নের দাবীতে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির উদ্যোগে পদযাত্রা কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। 

তিনি আরোও বলেন, শেখ হাসিনার সরকারের আমলে মানুষের যে ভোটের অধিকার সেটা ধ্বংস করা হয়েছে। তারা সরকারে আসার পর একটি পুতুল নির্বাচন কমিশন করে দিনের ভো্ট রাতে নিয়েছে। শেখ হাসিনা বিচার বিভাগ ও প্রশাসনকে ধ্বংস করেছে। শেখ হাসিনা ভোটের অধিকার ধ্বংস করেছে।আমরা হাসিনার আগের ভোটের ধরণ দেখেছি। তাদের অধীনে কোন নির্বাচন আমরা মানিনা। এ মিথ্যাবাদীর অধীনে কোনো নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে না। অবিলম্বে সংসদ ভেঙে দিতে হবে।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ানের সভাপতিত্বে পদযাত্রার সমাবেশে প্রধান বক্তার বক্তব্য  বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসে অসংখ্য মিডিয়া বন্ধ করে দিয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় এবার দিনকাল পত্রিকা বন্ধ করেছে। দিনকাল বন্ধের প্রতিবাদে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় সমালোচনার ঝড় বইছে। এই সরকার কর্তৃত্ববাদী সরকার। এই স্বৈরাচারী ফ্যাসিস্ট সরকারের বিদায় ছাড়া গণতন্ত্র ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনা সম্ভব না। সরকারের পতনই গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে পারে। এজন্য সরকারের পতন আন্দোলনে সবাইকে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মোস্তাক আহমেদ খান, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আহ্বায়ক কমিটির সদয়্য এনামুল হক এনাম, আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী, এম মঞ্জুর উদ্দিন চৌধুরী, আনোয়ার হোসেন লিপু, এস এম মামুন মিয়া, নাজমুল মোস্তফা আমিন, খোরশেদ আলম, মফজল আহমদ চৌধুরী, জামাল হোসেন, আমিনুর রহমান চৌধুরী, হাজী মো. রফিক, মো: ইসহাক চৌধুরী, হামিদুল হক মান্নান চেয়ারম্যান, অধ্যাপক এহসানুল মাওলা, নূরুল কবির, শফিকুল ইসলাম চেয়ারম্যান, জসিম উদ্দিন, এড. শওকত আলম, মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা, দক্ষিণ জেলা যুবদলের সভাপতি মো. শাহজাহান, সাধারণ সম্পাদক মো. আজগর, শ্রমিকদলের সভাপতি শফিকুল ইসলাম চেয়ারম্যান, সাধারণ সম্পাদক ডা. মহসিন খান তরুণ, কৃষক দলের আহবায়ক মহসিন চৌধুরী রানা, সদস্য সচিব আবদুর রশিদ দৌলতী, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মন্জুর আলম তালুকদার, সদস্য সচিব জমির উদ্দীন মানিক, মহিলাদলের সভাপতি জান্নাতুন নাঈম রিকু, সাধারণ সম্পাদক সেলিনা আকতার, ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মহসিন, ওলামা দলের আহবায়ক মাওলানা মো. ফোরকান, সদস্য সচিব মাওলানা মো. জাবের প্রমূখ।

পদযাত্রাটি পটিয়ার পাচুরিয়া মোড় থেকে  শুরু করে দীর্ঘ সড়ক প্রদক্ষিণ করে বোয়ালখালীর মিলিটারী পুল এলাকায় এসে শেষ হয়।

সম্পর্কিত পোস্ট

সর্বশেষ পোস্ট



Shares