বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২

চবির হলে ছাত্রলীগের ৪ নেত্রীর মারামারি

প্রকাশ: ১২ আগস্ট ২০২২ | ২:৫৪ অপরাহ্ণ আপডেট: ১২ আগস্ট ২০২২ | ৩:০০ অপরাহ্ণ
চবির হলে ছাত্রলীগের ৪ নেত্রীর মারামারি

নিজস্ব প্রতিবেদক

তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শাখা ছাত্রলীগের ৪ নেত্রীর মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে।মারামারি জড়ানোরা সবাই বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের পদধারী নেত্রী।

বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের খালেদা জিয়া হলে এ ঘটনা ঘটে।

মারামারিতে জড়ানো নেত্রীরা হলেন চবি ছাত্রলীগের উপ স্কুল ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ও সংস্কৃত বিভাগের ২০১৫-১৬ সেশনের শিক্ষার্থী সিমা আরা শিমু, উপ ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক ও মনোবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৭-১৮ সেশনের শিক্ষার্থী সাজামুন নাহার ইষ্টি,উপ তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ইংরেজি বিভাগের ২০১৯-২০ সেশনের শিক্ষার্থী তাসফিয়া জাসারাত নোলক, উপ কৃষি শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ও নাট্যকলা বিভাগের ২০১৯-২০ সেশনের শিক্ষার্থী নির্জনা ইসলাম।

জানা গেছে, ছাত্রলীগ নেত্রী সাজমুন নাহার ইষ্টি ও নির্জনা ইসলাম খালেদা জিয়া হলের ২০৩ নম্বর রুমের আবাসিক শিক্ষার্থী। বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে আরেক নেত্রী তাসফিয়া নোলক এই রুমে ঢুকলে তাঁকে অনুমতি ছাড়া রুমে প্রবেশ করতে নিষেধ করেন ইস্টি।এনিয়ে ইস্টির সাথে নির্জনা ও নোলক উভয়ে মিলে তর্কে জড়ায়।বিষয়টি নিয়ে ইষ্টি সেসময় নির্জনার মা ও নোলকের বাবাকে ফোন দিয়ে জানান। এনিয়ে তাসফিয়া নোলক রাত ১০টার দিকে আবার ২০৩ নম্বর রুমে এসে ইষ্টির সঙ্গে তর্কে জড়ায়। এসময় পাশের রুমে থাকা সীমা আরা শিমু তাদেরকে থামানোর চেষ্টা করলে তাসফিয়া নোলক তাঁকে চড় মারে। এরপর উভয়ে একে অপরকে চড়-থাপ্পড় মারতে থাকে।

একপর্যায়ে বিষয়টি জানাজানি হলে সিমা আরা শিমুর অনুসারীরা তাসফিয়া জাসারাত নোলকের বহিষ্কারের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন। পরে হল প্রভোস্ট ও প্রক্টরিয়াল বডির আশ্বাসে তাঁরা হলে ফিরে যান।

মারামারিতে জড়ানো সাজমুন নাহার ইষ্টি বলেন, আমরা হল প্রভোস্ট বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরাও তখন ছিলেন। উনারা এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। আমাদের দাবি- অভিযুক্ত তাসফিয়া নোলক এবং নির্জনা ইসলাম উভয়কে বহিষ্কার করতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বেশ কিছুদিন আগে অভিযুক্ত তাসফিয়া জাসারাত নোলককে মাদকদ্রব্যসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠের পাশ থেকে রাত ১২টার দিকে হাতেনাতে ধরেন প্রক্টরিয়াল বডি। পরে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয় তাকে।তবে এ বিষয়ে জানতে তাসফিয়া জাসারাত নোলকের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।

চবি প্রক্টর ড. রবিউল হাসান ভূঁইয়া বলেন, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে খালেদা জিয়ায় ছাত্রীদের মধ্যে ঝামেলা হয়েছে।হল প্রভোস্টের সাথে বসে আমরা বিষয়টির সমাধান করছি।এরমধ্যে একটা মেয়ের বিরুদ্ধে আগে থেকেই অভিযোগ আছে।আমরা সবগুলো বিষয় খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নিবো।

সম্পর্কিত পোস্ট

সর্বশেষ পোস্ট



Shares