বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২

শামসুল হক কর্মীবান্ধব নেতা ছিলেন: ডা.শাহাদাত

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২২ | ৩:৩৫ অপরাহ্ণ আপডেট: ১৩ জুন ২০২২ | ৩:৩৫ অপরাহ্ণ
শামসুল হক কর্মীবান্ধব নেতা ছিলেন: ডা.শাহাদাত

নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য শামসুল হকের অকাল মৃত্যুর খবরটি ছিল আমাদের জন্য ভীষণ বেদনার। বিএনপির রাজনীতিতে তিনি ছিলেন একজন ত্যাগী ও সাহসী নেতা। তৃণমূলের রাজনীতি দিয়ে পথচলা শুরু করে তিনি নিজেকে কেন্দ্রীয় যুবদলের নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। শামসুল হক একজন কর্মীবান্ধব নেতা ছিলেন। কর্মীদের ডাকে সব সময় সাড়া দিয়েছেন তিনি।

সোমবার (১৩ জুন) বিকালে নগরীর লাভ লেইনস্থ মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন (সিএমইউজে) মিলনায়তনে মহানগর বিএনপির সদস্য মরহুম শামসুল হকের ১ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির স্বরণ সভায় ডা. শাহাদাত এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন,মরহুম শামসুল হক অমায়িক আচরণের অধিকারী ছিলেন। এজন্য তিনি দলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের নিকট ছিলেন অত্যন্ত প্রিয়। কোন কর্মীর যে কোন প্রয়োজনে তিনি সবার আগে এগিয়ে যেতেন। তিনি বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার অত্যন্ত বিশ্বস্ত প্রটোকল অফিসারের দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি রাজনীতির মাধ্যমে মানুষের হৃদয়ে পৌঁছাতে পেরেছেন। তিনি সবার হৃদয় জয় করা একজন নেতা ছিলেন। তিনি আমাদের মাঝে না থাকলেও তার আদর্শকে ধারণ করে গণতন্ত্র মুক্তির আন্দোলনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এগিয়ে আসতে হবে।

ডা. শাহাদাত বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক আন্দোলন সংগ্রামে শামসুল হক যে সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন তা বিএনপির নেতাকর্মীদের সবসময় অনুপ্রাণিত করবে। তিনি শহীদ জিয়ার নীতি ও আদর্শে আস্থাশীল হয়ে বিএনপি ও যুবদলকে সুসংগঠিত করতে যে অবদান রেখেছেন নেতাকর্মীরা তা কোনোদিন ভুলবে না। মানুষ তার কর্মের মাধ্যমে বেঁচে থাকেন। শামসুল হকও তার রাজনৈতিক কর্মের মাধ্যমে আমাদের মাঝে অনন্তকাল বেঁচে থাকবেন। দলের প্রতি তার অবদানকে আমরা আজীবন স্মরণে রাখবো।

মরহুম শামসুল হকের স্মৃতিচারণ করে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান বলেন, শামসুল হক চট্টগ্রামে যুবদলকে সুসংগঠিত করে গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। এই জন্য নিবেদিতপ্রাণ এই নেতা ও তার পরিবারকে সইতে হয়েছে সরকারি নানা শারীরিক ও মানসিক জুলুম নির্যাতন। বিএনপির রাজনীতিতে তিনি সকল ধরণের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ছিলেন। ওয়ান ইলেভেনের কঠিন সময়ে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য তিনি সোচ্চার ভূমিকা পালন করেছিলেন। বর্তমান রাজনৈতিক সংকট ও দুর্যোগকালীন সময়ে তার মত যোগ্য নেতার খুবই প্রয়োজন ছিল।

মহানগর বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য মো. কামরুল ইসলামের পরিচালনায় স্বরণ সভায় বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সি. যুগ্ম আহবায়ক আলহাজ্ব এম এ আজিজ, যুগ্ম আহবায়ক মোহাম্মদ মিয়া ভোলা, শফিকুর রহমান স্বপন, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আবদুল মান্নান, সদস্য আর ইউ চৌধুরী শাহীন, আনোয়ার হোসেন লিপু, গাজী মো. সিরাজ উল্লাহ, চাঁন্দগাও থানা বিএনপির সভাপতি সাবেক কাউন্সিলর মো. আজম, কোতোয়ালি থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব জাকির হোসেন, নগর বিএনপি নেতা এম আই চৌধুরী মামুন, একেএম পেয়ারু, মো. ইদ্রিস আলী, আবু মুছা, ইউসুফ সিকদার, মহানগর কৃষকদলের যুগ্ম আহবায়ক নাজিমুল হক নাজু, তাঁতীদলের আহবায়ক মনিরুজ্জামান টিটু, সদস্য সচিব মনিরুজ্জামান মুরাদ, ওয়ার্ড় বিএনপির সভাপতি আকতার খান, এস এম ফরিদুল আলম, সাধারণ সম্পাদক হাজী মো. জাহেদ, মহিলাদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক গোলজার বেগম, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া, সহ সাধারন সম্পাদক আবদুল আহাদ রিপন, যুবদলের সহ সম্পাদক ইদ্রিস সবুজ, ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক সামিয়াত আমিন জিসান, কোতোয়ালি থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল হাসান সোনা মানিক, সি. যুগ্ম আহবায়ক কিং মোতালেব প্রমুখ।

সম্পর্কিত পোস্ট

সর্বশেষ পোস্ট



Shares