শনিবার, ৮ আগস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

‘পিলখানা হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন করে দোষীদের শাস্তি দিন’—মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম

প্রকাশ: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ৮:১৭ অপরাহ্ণ আপডেট: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ৮:১৭ অপরাহ্ণ
‘পিলখানা হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন করে দোষীদের শাস্তি দিন’—মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম

সাম্পান ডেস্ক:

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর আমীর মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, লগি-বৈঠা তাণ্ডবের পিশাচিকতা করে ১/১১ সরকার প্রতিষ্ঠা এবং তাদের সাথে সমঝোতার ভিত্তিতে ২০০৮ সালের ডিজিটাল কারচুপির নির্বাচনে শেখ হাসিনা ক্ষমতায় বসেছিল। সেনাবাহিনীকে দূর্বল করার নীলনকশা বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় পরিকল্পিতভাবে ৫৭ জন চৌকস সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জনকে মর্মান্তিকভাবে হত্যা করে তারা। দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীকে হত্যা করে মূলত দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বকে হুমকির মুখে ফেলার ষড়যন্ত্রই পাকাপোক্ত করা হয়েছিল সেদিন।

আজ (২৫ ফেব্রুয়ারি) বুধবার বাদে আছর চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াতের কার্যালয়ে আয়োজিত এক আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে গঠিত তদন্ত কমিশনের রিপোর্টও এখনো আলোর মুখ দেখেনি। দু’হাজার শহীদ, অসংখ্য মানুষের পঙ্গুত্ব, অন্ধত্ব ও নির্যাতনের সিড়ি বেয়ে ৩৬ জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে আমরা স্বৈরাচারের কবল থেকে মুক্তিলাভ করেছি। ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের ফলাফল কারচুপির অভিযোগ সত্ত্বেও নতুন সরকার গঠিত হয়েছে। জনগণ পিলখানা হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ জানতে চায়। দেশপ্রেমিক সেনা হত্যার ‘প্রকৃত রহস্য’ উদ্ঘাটন করে দায়ী ব্যক্তিদের শাস্তি নিশ্চিত করার দায়িত্ব বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকারে থাকতে হবে।

তিনি আরও বলেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকার ক্ষমতা পাকাপোক্ত করার জন্য এ দুঃখজনক ও মর্মান্তিক ঘটনায় অনেক নিরীহ ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে বিচারের নামে প্রহসনের আয়োজন করে।তাদেরকে বিভিন্ন মেয়াদে দণ্ড দিয়ে কারাগারে আটক রাখে। অনেকে নির্দোষ প্রমাণিত হলেও ফ্যাসিস্ট সরকারের ষড়যন্ত্রের কারণে তাদের মুক্তি মেলেনি। কারাগারে আটক নিরপরাধ ব্যক্তিদেরকে অবিলম্বে মুক্তি দিয়ে ক্ষতিপূরণসহ পুনর্বাসনের উদ্যোগ নিন।

মহানগরীর আমীর মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম শহীদ চৌকস সেনাসহ নিহতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও তাদের রূহের মাগফিরাত কামনা করেন। পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

মুনাজাত পরিচালনা করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা খাইরুল বাশার।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর সেক্রেটারী অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুল আমিন, মহানগরীর এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মুহাম্মদ উল্লাহ, ফয়সাল মুহাম্মদ ইউনুস ও মোরশেদুল ইসলাম চৌধুরী, মহানগরীর সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. একেএম ফজলুল হক, ডা. ছিদ্দিকুর রহমান, মহানগরীর সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম মহানগর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি এস এম লুৎফর রহমান, মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্য হামেদ হাসান ইলাহী, আমির হোছাইন, প্রফেসর মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ, অধ্যক্ষ মাওলানা জাকের হোসাইন, ফখরে জাহান সিরাজী, ফারুকে আজম, অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুন্নবী, মুহাম্মদ ইসমাইল, ড. আ ম ম মাসরুর হোসাইন প্রমুখ।

পি/আর

সম্পর্কিত পোস্ট

সর্বশেষ পোস্ট



Shares