সাম্পান ডেস্ক
পাকিস্তানে সংবিধানের ২৭তম সংশোধনী নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ক্ষমতাসীন পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন) নেতৃত্বাধীন জোট সংশোধনীতে সমর্থন জানালেও বিরোধী জোটগুলো আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছে।
রোববার (৯ নভেম্বর) আইনি ও বিচার সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকের পর জোটসঙ্গীদের সঙ্গে নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এ সংশোধনীর অগ্রগতির প্রশংসা করেন। তিনি একে ‘জাতীয় ঐক্য ও সম্মিলিত অঙ্গীকারের প্রতিফলন’ বলে মন্তব্য করেন।
সূত্রে জানা যায়, বৈঠকে সংশোধনীর পূর্ণাঙ্গ খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়েছে এবং শিগগিরই এটি সিনেটে উত্থাপন করা হতে পারে। তবে পাকিস্তান তেহরিকে ইনসাফ (পিটিআই), জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম (ফজল), পখতুনখোয়া মিল্লি আওয়ামী পার্টি (পিকেএমএপি) ও মজলিসে ওয়াহদাতুল মুসলেমিন (এমডব্লিউএম) বৈঠক বর্জন করে।
প্রস্তাবিত সংশোধনীর মূল দিকগুলোর মধ্যে রয়েছে—
‘চিফ অব ডিফেন্স ফোর্সেস’ নামে নতুন সামরিক নেতৃত্বের পদ সৃষ্টি (কার্যকর ২৭ নভেম্বর ২০২৫ থেকে), যেখানে বর্তমান আর্মি চিফ দায়িত্ব নেবেন।
ফেডারেল কনস্টিটিউশনাল কোর্ট গঠন, যেখানে সব প্রদেশের সমান প্রতিনিধিত্ব থাকবে।
আদালতের বিচারপতি নিয়োগে প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।
আদালতের প্রধান বিচারপতির মেয়াদ তিন বছর নির্ধারণের প্রস্তাব।
প্রেসিডেন্ট আজীবন ফৌজদারি মামলার দায়মুক্তি পাবেন।
শাহবাজ শরিফ দাবি করেন, সরকারের সঙ্গে জোটসঙ্গীদের সহযোগিতা ফেডারেশনকে আরও শক্তিশালী করবে; তবে বিরোধীদের মতে, এই সংশোধনী সামরিক কাঠামো ও সংবিধানের ক্ষমতার ভারসাম্য বদলে দেশকে নতুন সংকটে ফেলতে পারে।
এসএস
