বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২

ফিলিপাইনে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬৯, আহত দেড় শতাধিক

প্রকাশ: ১ অক্টোবর ২০২৫ | ৩:০২ অপরাহ্ণ আপডেট: ১ অক্টোবর ২০২৫ | ৩:৩০ অপরাহ্ণ
ফিলিপাইনে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬৯, আহত দেড় শতাধিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ফিলিপাইনের মধ্যাঞ্চলে ৬ দশমিক ৯ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৯ জনে। আহত হয়েছেন অন্তত ১৫০ জন।

বুধবার (১ অক্টোবর) দেশটির সিভিল ডিফেন্স কর্মকর্তারা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

উত্তর সেবু প্রদেশে সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বোগো শহরের হাসপাতালগুলো আহত রোগীতে উপচে পড়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় দুর্যোগ কর্মকর্তা রাফি আলেহান্দ্রো। আঞ্চলিক সিভিল ডিফেন্স অফিস জানিয়েছে, নিহতের সংখ্যা এখনও যাচাই করা হচ্ছে।

প্রেসিডেন্ট ফের্দিনান্দ মারকোস জুনিয়র ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে দ্রুত সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন। তার মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রম সমন্বয় করছেন। সেবু দ্বীপের জনসংখ্যা প্রায় ৩৪ লাখ; এটি দেশটির অন্যতম প্রধান পর্যটনকেন্দ্র। ভূমিকম্পে ক্ষয়ক্ষতি হলেও মাকতান-সেবু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সচল রয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত শহর সান রেমিজিওতে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। সেখানকার ভাইস মেয়র আলফি রেইনেস জানিয়েছেন, এলাকায় বিদ্যুৎ ও পানির সংকট তৈরি হয়েছে। বৃষ্টির কারণে উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে। তিনি জরুরি খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও ভারী যন্ত্রপাতির সরবরাহ চেয়েছেন।

ভূমিকম্পে পুরোনো ভবন ধসে পড়েছে, শতবর্ষী একটি চার্চ ভেঙে পড়েছে। সান রেমিজিওতে ধসে পড়া একটি ক্রীড়া কমপ্লেক্সে খেলা চলাকালে কয়েকজন নিহত হন। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ভূমিকম্পের পর সাগরের পানি কিছুটা সরে যায়, তবে সুনামির আশঙ্কা নেই।

ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে। এরপর একাধিক আফটারশক আঘাত হেনেছে, এর মধ্যে একটি ছিল ৬ মাত্রার।

প্রশান্ত মহাসাগরের ‘রিং অব ফায়ার’-এ অবস্থান করায় ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত ফিলিপাইনে প্রায় নিয়মিত। চলতি বছরের জানুয়ারিতেও দুটি বড় ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিল, তবে প্রাণহানি ঘটেনি। এর আগে ২০২৩ সালে ৬ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে আটজন নিহত হন।

এসএস

সম্পর্কিত পোস্ট

সর্বশেষ পোস্ট



Shares