বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২

মুক্তিযোদ্ধা কোটার বিষয়ে উচ্চ আদালতের রায়ের প্রতি সম্মান দেখাতে বললেন শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশ: ৮ জুন ২০২৪ | ৭:২৮ অপরাহ্ণ আপডেট: ৮ জুন ২০২৪ | ৭:২৮ অপরাহ্ণ
মুক্তিযোদ্ধা কোটার বিষয়ে উচ্চ আদালতের রায়ের প্রতি সম্মান দেখাতে বললেন শিক্ষামন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক 
শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেছেন, এটা অত্যন্ত দুঃখের বিষয় যে মুক্তিযুদ্ধের এত সময় পরে এসেও তাদের সন্তানদের জন্য রাখা কোটা প্রশ্নে কিছু মানুষের এত উস্মা, তা খুবই দুঃখজনক। দেশ যারা স্বাধীন করে দিয়েছে তাদের সন্তানদের দিয়ে তারা যদি দ্বিতীয়বার প্রশ্নবিদ্ধ হয় তাহলে এটা কোনো ভাবে কাম্য নয়।আর আমরা সকলকে অনুরোধ জানাবো এ উচ্চ আদালতের রায়ের প্রতি ও নির্দেশনার প্রতি সবাই যথাযথভাবে সম্মান দেখাবেন।
 শনিবার (৮ জুন) চট্টগ্রাম এমএ আজিজ স্টেডিয়াম সংলগ্ন জিমনেসিয়াম হলে জেলা প্রশাসনের ভূমিসেবা সপ্তাহ-২৪ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে  তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী  বলেন, যারা মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন তারা জীবন বাজি রেখে আমাদেরকে এ দেশটা স্বাধীন করে দিয়ে গেছেন। সেই মুক্তিযোদ্ধার প্রতি সম্মান দেখিয়ে তাদের পরবর্তী প্রজন্ম অর্থাৎ তাদের সন্তানদের জন্য রাষ্ট্র কর্তৃক কোটার যে বিষটি ছিল। সেটা যথাযথ প্রতিপালনের ক্ষেত্রে অনেক জায়গায় অমনোযোগিতা ও অমান্য করা হচ্ছে। সে বিষয়ে উচ্চ আদালত থেকে একটি নির্দেশনা এসেছিল।তবে যেহেতু আদালতের রায় এখনো সুনির্দিষ্ট ভাবে আমার হাতে আসেনি বা পড়ে দেখতে পারেনি; তাই সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট মন্তব্য আমি করছি না।
শিক্ষা কারিকুলামে সব ধর্মের প্রতি সম্মানের ভূমিকা শক্তিশালী থাকবে উল্লেখ করেন মহিবুল হাসান চৌধুরী  বলেন, আমরা সব সময় বলে এসেছি, শিক্ষা ব্যবস্থা, শিক্ষা প্রক্রিয়া,  পাঠদান ব্যবস্থা ও পাঠক্রমের মধ্যে সবসময় সকল ধর্মের প্রতি সম্মান এবং শ্রদ্ধার জায়গাটাতে আমরা সবসময় শক্তিশালী ভূমিকাই থাকবো। এবং দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ধর্মীয় অনুভূতি দ্বীন ইসলামের বিরুদ্ধে কোন কাজ জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকার কখনো করেনি আগামীতেও করবে না। কিছু কিছু বিষয় তারা বিতর্ক সৃষ্টি করার চেষ্টা করেছেন সেগুলো অবশ্যই আমরা নিরসন করব।
কক্সবাজারে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের করার পরিকল্পনা তুলে ধরে তিনি  বলেন, কর্ণফুলী নদী থেকে নাফ নদী পর্যন্ত দক্ষিণ চট্টগ্রাম, কক্সবাজার বিশাল জেলা এবং বান্দরবান এই তিন জেলায় মিলিয়ে দক্ষিণ চট্টগ্রামকে একটি বিশাল জেলা সমান ধরা যায়, সেখানে কোন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় নেই। তবে ভেটেনারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু অংশ সেখানে আছে কিন্তু ওখানে পাঠদান কার্যক্রম হয় না গবেষণা কার্যক্রম হয়। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয় দেয়ার জন্য আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নীতিগত সম্মতির জন্য ইতিমধ্যে প্রস্তাবনা পাঠিয়েছি। কক্সবাজারে যেন মূলত সে বিশ্ববিদ্যালয়টি হয়। তাহলে দক্ষিণ চট্টগ্রাম, বান্দরবান থেকে শিক্ষার্থীরা যেতে পারবে। সেভাবে করে জায়গাটা নির্ধারণ করা হবে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়টি হবে কক্সবাজারে।

সম্পর্কিত পোস্ট

সর্বশেষ পোস্ট



Shares