বান্দরবান প্রতিনিধি
বান্দরবানের রুমায় কেএনএফ কর্তৃক অপহরণের শিকার ব্যাংকের ম্যানেজার নেজাম উদ্দিন ভালো আছেন বলে, তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছে, জানিয়েছেন সোনালী ব্যাংকের এমডি মো. আফজাল করিম। বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) তিনি গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
ঘটনার দুই দিন পার হয়ে গেলেও খোঁজ মেলেনি রুমা উপজেলার সোনালী ব্যাংকের অপহৃত ম্যানেজার নিজাম উদ্দিনের। তাকে উদ্ধারে নিরাপত্তা বাহিনী যৌথ অভিযান পরিচালনা করছে।
এদিকে, সন্ত্রাসী হামলার আশঙ্কায় বান্দরবানের রুমা, রোয়াংছড়ি ও থানচি উপজেলায় সব ধরনের ব্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে। একই সাথে জেলা সদরের প্রতিটি ব্যাংক এবং এটিএম বুথে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। নিরাপত্তার কারণে এ তিনটি উপজেলার ব্যাংকগুলোর ১৫ জন কর্মকর্তা কর্মচারীদের এবং ভল্টে থাকা নগদ টাকা জেলা সদরে নিয়ে আসা হয়েছে। বন্ধ থাকা তিনটি উপজেলার ব্যাংকগুলোর গ্রাহকরা জেলা সদরের সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে লেনদেন করতে পারবে।
এছাড়া লামা, আলীকদম ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় স্বাভাবিক নিয়মে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালিত হবে। ব্যাংকগুলোর কার্যক্রম বন্ধ থাকায় ঈদের এই সময়ে গ্রাহকদের দুর্ভোগ ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।
ব্যাংক লুটের ঘটনার পর আজ সোনালী ব্যাংকের বান্দরবান অঞ্চলপ্রধান ওসমান গনি বলেন, রুমা শাখার ভল্ট খতিয়ে দেখে সব টাকা অক্ষত পাওয়া গেছে। কোনো টাকা খোয়া যায়নি। আর থানচি শাখায় কত টাকা খোয়া গেছে, পূর্ণাঙ্গ হিসাব চলছে। তবে খোয়া যাওয়া টাকার পরিমাণ ১৫ লাখ টাকার মতো হতে পারে।
বান্দরবানের জেলা প্রশাসক শাহ মুজাহিদ উদ্দিন বলেছেন, ম্যানেজারকে উদ্ধার ও সন্ত্রাসীদের ধরতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পাহাড়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে, বান্দরবানের রুমা, রোয়াংছড়ি ও থানচি উপজেলায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সেখানে সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশ টহল দিচ্ছে। জেলা সদর থেকে নেয়া হয়েছে এপিবিএন সদস্যদের।
