প্রকাশ: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ | ৬:৫৯ অপরাহ্ণ আপডেট: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ | ৭:৩৩ অপরাহ্ণ
সাম্পান ডেস্ক
চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের হলফনামায় ব্যাংক ঋণের তথ্য গোপন করে নির্বাচন করার অভিযোগ ওঠেছে এমপি সনির বিরুদ্ধে । এই আসনটিতে তিনি আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকে বিজয়ী হন। ঋণের তথ্য গোপন করে নির্বাচন করায় সংসদ সদস্য পদ বাতিল ও পুনঃ নির্বাচনের জন্যে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে একই আসনের একতারা মার্কায় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি-(বিএসপি) এর চেয়ারম্যান সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমেদ আল হাছানী।
রোববার(১৮ ফেব্রুয়ারি)হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চে শুনানী হওয়ার কথা রয়েছে।বাদী পক্ষের আইনজীবী এডভোকেট শাহ্ আলম অভি জানান,নির্বাচনী হলফনামায় খেলাপী ঋণ সংক্রান্ত অর্থঋণ আদালতের মামলাসহ ৮ টি ব্যাংক ঋণের তথ্য গোপন করে প্রতারনামুলক ভাবে সংসদ সদস্য পদে নির্বাচন করেছেন খাদিজাতুল আনোয়ার সনি।
গত ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী খাদিজাতুল আনোয়ার সনি পেয়েছেন ১ লাখ ৩৭০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী তরমুজ প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী হোসাইন মো. আবু তৈয়ব পেয়েছেন ৩৬ হাজার ৫৮৭ ভোট। একতারা প্রতীকে সুপ্রীম পার্টির চেয়ারম্যান সাইফুদ্দিন আহমদ মাইজভান্ডারী পেয়েছেন ৩ হাজার ১৩৮ ভোট, ঈগল প্রতীকে স্বতন্ত্র মোহাম্মদ শাহাজাহান পেয়েছেন ২৫৭ ভোট, মোমবাতি প্রতীকে মো. হামিদুল্লাহ ১ হাজার ৫২৫ ভোট, চেয়ার প্রতীকে মীর ফেরদৌস আলম ৫২৫ ভোট, ফুলকপি প্রতীকে রিয়াজ উদ্দিন চৌধুরী ৩১৩ ভোট এবং লাঙ্গল প্রতীকে জাতীয় পার্টির মো. শফিউল আজম ২৫৫ ভোট পেয়েছেন। এ ছাড়া নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানো ১৪ দলীয় জোট নেতা ও এই আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য ফুলেরমালা প্রতীক প্রার্থী সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী পেয়েছেন ২১৩ ভোট পেয়েছেন।
ফটিকছড়ি উপজেলায় ১৮টি ইউনিয়ন ও ২টি পৌরসভায় মোট ১৪২টি ভোট কেন্দ্রে ৪ লাখ ৫৬ হাজার ৪৮৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৩৯ হাজার ৯০২ জন, নারী ভোটার ২ লাখ ১৬ হাজার ৫৮২ জন ভোটার রয়েছে।
গত ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী খাদিজাতুল আনোয়ার সনি পেয়েছেন ১ লাখ ৩৭০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী তরমুজ প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী হোসাইন মো. আবু তৈয়ব পেয়েছেন ৩৬ হাজার ৫৮৭ ভোট। একতারা প্রতীকে সুপ্রীম পার্টির চেয়ারম্যান সাইফুদ্দিন আহমদ মাইজভান্ডারী পেয়েছেন ৩ হাজার ১৩৮ ভোট, ঈগল প্রতীকে স্বতন্ত্র মোহাম্মদ শাহাজাহান পেয়েছেন ২৫৭ ভোট, মোমবাতি প্রতীকে মো. হামিদুল্লাহ ১ হাজার ৫২৫ ভোট, চেয়ার প্রতীকে মীর ফেরদৌস আলম ৫২৫ ভোট, ফুলকপি প্রতীকে রিয়াজ উদ্দিন চৌধুরী ৩১৩ ভোট এবং লাঙ্গল প্রতীকে জাতীয় পার্টির মো. শফিউল আজম ২৫৫ ভোট পেয়েছেন। এ ছাড়া নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানো ১৪ দলীয় জোট নেতা ও এই আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য ফুলেরমালা প্রতীক প্রার্থী সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী পেয়েছেন ২১৩ ভোট পেয়েছেন।
ফটিকছড়ি উপজেলায় ১৮টি ইউনিয়ন ও ২টি পৌরসভায় মোট ১৪২টি ভোট কেন্দ্রে ৪ লাখ ৫৬ হাজার ৪৮৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৩৯ হাজার ৯০২ জন, নারী ভোটার ২ লাখ ১৬ হাজার ৫৮২ জন ভোটার রয়েছে।
