সাম্পান ডেস্ক
সাধারণত মানুষ নিজের তাড়নায় লেখালেখি করেন। কেউ লেখেন সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে, কেউ লেখেন মনের আনন্দে।কেউ লিখে প্রকাশ করেন মনের ভাব,মুখে না বলা ভাষা।আবার কেউ লিখে করেন প্রতিবাদ।
এমনই একজন মুহাম্মদ শরীফ।পেশায় পুলিশ কর্মকর্তা শরীফ একজন স্বভাব কবি।পেশাগত ব্যস্ততার মাঝেও তিনি নিয়মিত কবিতা,ছড়া লেখেন। ইতোমধ্যেই তার সরল ছন্দে লেখা প্রশংসা কুড়িয়েছে নেটিজেনদের।তাঁর এমন কিছু লেখা নিয়ে প্রকাশিতব্য কবিতার বই ‘সমুদ্রের কাছে যাবো’র মোড়ক উন্মোচন হবে এবারের একুশে বইমেলায়।
মুহাম্মদ শরীফের জন্ম ১৯৭৭ সালে চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়ায়। তিনি ২০০৫ সালে উপ-পরিদর্শক হিসেবে যোগ দেন বাংলাদেশ পুলিশে। এরপর চাঁদপুর, সিএমপি, চট্টগ্রাম ও রাঙামাটি জেলায় করেছেন চাকরি। ২০১৫ সালে পদোন্নতি পেয়ে হন পুলিশ পরিদর্শক। বর্তমানে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) কর্মরত আছেন তিনি।
অপরাধ তদন্ত কিংবা আইন প্রয়োগেই সীমাবদ্ধ থাকেননি মুহাম্মদ শরীফ। মনের খোরাক যোগাতে বিভিন্ন সময় লিখেছেন কবিতা। আর এক্ষেত্রে প্রেরণা যুগিয়েছেন ব্যাংক কর্মকর্তা স্ত্রী খায়রুল জান্নাত মুন্নী।
মুহাম্মদ শরীফ বলেন, আমার বই প্রকাশ করাটা কাকতালীয়। হঠাৎ করেই হয়ে গেছে। এর পেছনে আমার স্ত্রী খায়রুল জান্নাত মুন্নীর অবদান অনেক বেশি।আমার বেশ কিছু ডিপার্টমেন্টাল বন্ধু,সাংবাদিক বন্ধু,লেখক ও কলামিস্ট বন্ধুদের দেখে আমি অনুপ্রাণিত হই।বলতে গেলে তাদের লেখায় মুগ্ধ হয়েই আনুষ্ঠানিকভাবে লেখালেখি শুরু করি। এখন আমি আমার অভিজ্ঞতার আলোকে লিখি।
তিনি বলেন,আমার সহকর্মী ও বন্ধুদের কাছে ঋণী। তাঁরা সবসময় আমার পাশে ছিলেন।ফেসবুক বন্ধুরাও আমাকে প্রচুর উৎসাহ জুগিয়েছেন।আশা করছি,এভাবে তাদেরকে সবসময় পাশে পাবো।
