সাম্পান ডেস্ক
আজ রাজধানীর নয়াপল্টনে সরকার পতনের একদফা দবীতে বিএনপি মহাসমাবেশ করেছে। সকাল থেকে বিএনপির নেতাকর্মী সমাবেশ জড়ো হন। দুপুর ২ টাপর্যন্ত সমাবেশ শান্তিপূর্ণভাবে চলে। হঠাৎ বেলা আড়াইটার দিকে পুলিশ সমাবেশস্থল লক্ষ করে টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করলে শুরু হয় সংঘর্ষ। সংঘর্ষ চলাকালীন সময়ে এক পুলিশ সদস্য মারা যায়।এদিকে সংঘর্ষ চলাকালে আহত পুলিশ সদস্যদের দেখতে হাসপাতালে আসেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। এসময় তিনি বলেন, বিএনপির নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষের সময় মো. আমিরুল ইসলাম পারভেজ নামে এক পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছে। তাকে ছাত্রদলের এক নেতা চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছেন বলে তিনি জানান। এছাড়া সংঘর্ষ চলাকালে পুলিশ অনেক ধৈর্য্য দেখিয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।শনিবার (২৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান। দিনভর সংঘর্ষে আহত পুলিশ সদস্যদের খোঁজখবর নিতে হাসপাতালটিতে যান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
এসময় নিহত আমিরুল ইসলাম পারভেজের মরদেহের পাশে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকেন মন্ত্রী এবং তার স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেন। পাশাপাশি আহতদের চিকিৎসার খোঁজ-খবর নেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের কাছে ছবি আছে, প্রমাণ আছে। পুলিশ সদস্যকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। ছাত্রদলের এক নেতা তাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে। ’
সংঘর্ষের প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও বলেন, ‘ওই সময় পুলিশ অনেক ধৈর্য্য দেখিয়েছে। প্রধান বিচারপতির বাসভবনের গেট ভেঙেছে তারা। এখনো তারা গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করছে। (রোববার) হরতাল ডেকেছে। জনগণের জানমালের ক্ষতি পুলিশ বরদাশত করবে না। পুলিশ আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে। ’
পরিদর্শনকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন ও ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান।
