বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২

রপ্তানির আড়ালে মুদ্রা পাচার আটকে দিয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস

প্রকাশ: ২২ মার্চ ২০২২ | ৬:৪৮ অপরাহ্ণ আপডেট: ২২ মার্চ ২০২২ | ৬:৫১ অপরাহ্ণ
রপ্তানির আড়ালে মুদ্রা পাচার আটকে দিয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস

নিজস্ব প্রতিবেদক

সংযুক্ত আরব আমিরাতে পণ্য রপ্তানির আড়ালে ২১ লাখ ৯৭ হাজার ৪৮৬ টাকা পাচারের চেষ্টা করেছিল ইনফিনিট সার্ভিস সল্যুশন নামে ঢাকার গুলশানের একটি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান। এই টাকা পাচারের চেষ্টা শেষ পর্যন্ত ভণ্ডুল হয়ে যায়। চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্মকর্তারা বেসরকারি কন্টেইনার টার্মিনালে (অফডক) এছাক ব্রাদার্স লিমিটেড ডিপোতে অভিযান চালিয়ে মুদ্রা পাচারের এ ঘটনা শনাক্ত করেন।

মঙ্গলবার (২২ মার্চ) বিকেলে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের ডেপুটি কমিশনার মো. আহসান উল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ইনফিনিট সার্ভিস সল্যুশন নামের ঢাকার গুলশানের একটি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানটি ৩৮ হাজার ৩১১ পিস পণ্যের বিপরীতে শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে এলসি করেন। প্রতিষ্ঠানটির মনোনীত সিএন্ডএফ এজেন্ট হিসেবে কাজ করে নগরের আগ্রাবাদ এলাকার ডায়নামিক ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড। সংযুক্ত আরব আমিরাতে পণ্য চালানটি রপ্তানির জন্য এছাক ব্রাদার্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ডিপোতে কনটেইনারে পণ্য লোড করা হয়।গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই চালানে অসঙ্গতির কথা জানতে পেরে পণ্য চালানটি আটক করে শতভাগ কায়িক পরীক্ষা করা হয়।

তিনি বলেন, রপ্তানিকারক ৩৮ হাজার ৩১১ পিস পণ্যের বিপরীতে ১৮ লাখ ৯০ হাজার ৭৫০ টাকা প্রাপ্তি হতো। তবে সঠিক ঘোষণা থাকলে ৪০ লাখ ৮৮ হাজার ২৪১ টাকা প্রাপ্তি হতো। অর্থাৎ প্রতিষ্ঠানটি পণ্য রপ্তানির আড়ালে ২১ লাখ ৯৭ হাজার ৪৮৬ টাকা পাচারের চেষ্টা করেন। এখন প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে কাস্টমস আইন-১৯৬৯ এবং প্রচলিত অন্যান্য আইন অনুযায়ী কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, প্রতিষ্ঠানটি ২০২০ সালের ১ জুলাই থেকে চলতি বছরের ২১ মার্চ পর্যন্ত ৫টি পণ্যচালান রপ্তানি করেন। এসব পণ্য রপ্তানির মাধ্যমেও অর্থপাচার হয়েছে কিনা তা এখন খতিয়ে দেখা হচ্ছে।।

সম্পর্কিত পোস্ট

সর্বশেষ পোস্ট



Shares