চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর বলেছেন, ২০০৭ সালের বিভীষিকাময় এই কালো রাতেই কোনো ওয়ারেন্ট ছাড়াই বিতর্কিত সেনাসমর্থিত সরকারের জরুরী বিধিমালায় গ্রেফতার করা হয় তারেক রহমানকে। ১/১১-এর জরুরি অবস্থাকালীন দেশি বিদেশী ষড়যন্ত্রকারীদের মূল টার্গেট হন দেশনায়ক তারেক রহমান। আওয়ামীলীগ তাকে ভয় পায় বলেই মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়ে দেশে আসতে দিচ্ছে না।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ১৬তম কারাবন্দী দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির উদ্যোগে আজ মঙ্গলবার (৮ মার্চ) বাদে আসর দলীয় কার্যালয়ে এক আলোচনা সভায় আবুল হাশেম বক্কর এসব কথা বলেন।
আবুল হাশেম বক্কর বলেন, আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রীয় সর্বশক্তি দিয়ে দেশে বিদেশে তন্ন তন্ন অনুসন্ধান করেও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি বা অবৈধ সম্পদ অর্জনের কোনো অভিযোগ প্রমাণ করতে পারেনি। তাকে দন্ড দিতে জরুরী অবস্থাকালীন দ্রুত বিচার আইনে দফায় দফায় সংশোধনীও আনা হয়। সাজানো মামলায় দন্ড না দেয়ায় বিচারককেও হয়রানি করা হয়। অবশেষে বর্তমান সরকারের সময়ে নিয়োগ দেয়া বিচারকের আদালতে নিয়ে মামলায় তাকে সাজা দেয়া হয়।
আলোচনা সভায় অন্যান্যদের মধ্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সি. যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ্ব এম এ আজিজ, এস এম সাইফুল আলম, নাজিমুর রহমান, শফিকুর রহমান স্বপন, ইসকান্দার মির্জা, আবদুল মান্নান, আহবায়ক কমিটির সদস্য এরশাদ উল্লাহ, হারুন জামান, ইকবাল চৌধুরী, আর ইউ চৌধুরী শাহীন, আনোয়ার হোসেন লিপু, মন্জুর আলম চৌধুরী মন্জু, মো.কামরুল ইসলাম, এম এ হাশেম রাজু, থানা বিএনপির সভাপতি মন্জুর রহমান চৌধুরী, হাজী মো. সালাউদ্দীন, এম আই চৌধুরী মামুন, সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব জাকির হোসেন, মহানগর বিএনপি নেতা এড. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, ইব্রাহিম বাচ্ছু, একেএম ফেয়ারু, আবদুল হালিম স্বপন, ইদ্রিস আলী, আবু মুছা, আলী আজম চৌধুরী, ইউসুফ শিকদার, বুলবুল আহম্মেদ, মালেক ফারুকী, কেন্দ্রীয় জাসাসের যুগ্ম সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, মহানগর জাসাসের আহবায়ক এম এ মুছা বাবলু, সদস্য সচিব মামুনুর রশীদ শিপন, তাতীদলের আহবায়ক মনিরুজ্জামান টিটু, মৎস্যজীবী দলের আহবায়ক হাজী নুরুল হক, ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি এস এম মফিজ উল্লাহ উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে আলোচনা সভার আগে দলীয় কার্যালয় সংলগ্ন জামে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। দোয়া মাহফিলে বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রাহমানের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও রোগমুক্তি কামনা করে দোয়া করা হয়। পাশাপাশি শহীদ জিয়াউর রহমান ও আরাফাত রহমান কোকোর মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। দোয়া ও মিলাদ পরিচালনা করেন জামে মসজিদের হাফেজ শহিদুল ইসলাম।
