জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামীকাল মঙ্গলবার সারা দেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর।তবে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে চট্টগ্রামের কয়েকটি উপজেলার অর্ধ শতাধিক গ্রামের বাসিন্দারা আজ সোমবার ঈদ উদযাপন করবেন।
জানা যায়,চট্টগ্রামের বেশ কয়েকটি এলাকার বাসিন্দারা বরাবরই আরবের সাথে মিল রেখে রোজা, ঈদসহ অন্যান্য ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা সারেন। সে অনুযায়ী সোমবারই ঈদ করবেন তারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাতকানিয়ার মির্জা খীল দরবার শরিফের অনুসারীরা শত বছর ধরে হানাফি মাজহাব মতে বিশ্বের যে কোনো দেশে চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে ঈদ, রোজাসহ সকল ধর্মীয় অসুশসন পালন করে আসছেন।এই দরবারের অনুসারীরা সাতকানিয়ার এওচিয়া, চরতী, সুইপুরা, গাটিয়া ডেঙ্গা, চন্দনাইশের হারলা, কাঞ্চননগর, বাদামতল, পশ্চিম এলাহাবাদ, বাইনজুরি, কেশুয়া, কানাইমাদারী, সাতবাড়িয়া, দোহাজারিতেও আরবের সাথে মিল রেখে সোমবার ঈদ হবে।
বাঁশখালীর চাম্বল, কালিপুর, শেখের খীল, ভাদালিয়া, হাছনদণ্ডী, চর বরমা, আলী নগর, পটিয়ার বাহুলী, পারিগ্রাম মোল্লা পাড়া, আলমদার পাড়া, হাইদগাঁও, আনোয়ারার বরুমছড়া, বরকল, তৈলার দ্বীপসহ আরও কিছু গ্রামের মানুষ আজ সোমবার ঈদ পালন করেন।তারাও মির্জাখিল দরবারের অনুসারী।এছাড়াব কক্সবাজারের চকরিয়া, টেকনাফ, মহেশখালী, হ্নীলা, কুতুবদিয়া, বান্দরবানের লামা, আলিকদম ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা, ঢাকা, ফেনী, ময়মনসিংহ বরিশাল, পটুয়াখালীসহ বেশকিছু জেলায় এই দরবারের ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা অনুসারীরা আজ সোমবার ঈদ পালন করবেন।
মির্জারখীল দরবারের খাদেম আবু তৈয়ব বলেন,
‘ সোমবার সকালে দরবার শরীফের খানকাহ মাঠে ঈদের প্রধান জামাত হবে।জামায়াতে তাতে ইমামতি করবেন হজরত ইমামুল আরেফীন ড. মাওলানা মুহাম্মদ মকছুদুর রহমান ইমামতি করবেন।
