সাম্পান ডেস্ক
সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে আজ দিবাগত রাত থেকে রোজা রাখা শুরু করেছেন চট্টগ্রামের অর্ধ শতাধিক গ্রামের লক্ষাধিক মানুষ। তারা দক্ষিণ চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার মির্জারখীল দরবারের অনুসারী। দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও ঈদ পালন করে আসছেন তারা।
শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে তারাবিহ আদায় ও সেহরি খাবেন সাতকানিয়া, চন্দনাইশ, লোহাগাড়া, বাঁশখালী, বোয়ালখালী, আনোয়ারা, পটিয়া, কর্ণফুলী উপজেলার মির্জাখীল দরবার শরীফের আকিদার এসব মুসলমানেরা।
সাতকানিয়ার মির্জারখীল দরবার সূত্রে জানা যায়, মির্জারখীল ছাড়াও উপজেলার সোনাকানিয়া, ছোটহাতিয়া, আছারতলি, সাইরতলি, গারাঙ্গিয়া, এওচিয়া, খাগরিয়া, ছদাহা, গাটিয়াডাঙ্গা এবং লোহাগাড়া উপজেলার কলাউজান, বড়হাতিয়া, পুটিবিলা, চরম্বা ও চুনতি, বাঁশখালী উপজেলার জালিয়াপাড়া, ছনুয়া, মক্ষিরচর, চাম্বল, শেখেরখীল, ডোংরা, তৈলারদ্বীপ ও কালিপুর পটিয়া উপজেলার হাইদগাঁও, বাহুলী, ভেল্লাপাড়াসহ ৫০ গ্রামের অর্ধ লক্ষাধিক মানুষ আজ শুক্রবার রাতে প্রথম রোজার সেহরি খেয়ে রোজা রাখবেন।
এছাড়া চট্টগ্রামের হাটহাজারী, সন্দ্বীপ, ফটিকছড়ি, বান্দরবানের লামা, আলীকদম, নাইক্ষ্যংছড়ি, কক্সবাজার সদর, টেকনাফ, মহেশখালী, কুতুবদিয়ার বেশ কয়েকটি গ্রামে মির্জাখীল দরবার শরিফের অনুসারী রয়েছেন তারাও শুক্রবার রাতে সেহেরি খেয়ে রোজা রাখবেন।
মির্জাখীল দরবারের সাহেবজাদা মোহাম্মদ মছউদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আমরা হানাফি মাজহাবের অনুসারী হিসেবে আমাদের নিকটবর্তী সময়ের কম ব্যবধান এবং আমাদের পূর্বের দেশগুলোতে চন্দ্র দর্শন বিবেচনায়, বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ দ্রাঘিমাংশ ও অক্ষাংশের হিসেবে চাঁদের অবস্থান এবং মক্কা ও মদিনা শরিফে তথা আরব বিশ্বের চাঁদ দেখার খবর বিভিন্ন দেশি-বিদেশি ইলেকট্রনিক, প্রিন্ট মিডিয়ার মাধ্যমে জ্ঞাত হয়ে শনিবার প্রথম রোখা রাখব। এ লক্ষ্যে ইতিমধ্যে তারাবি নামাজও আদায় করেছি।
তিনি বলেন, বিশ্বের যেকোনো দেশে চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে প্রায় দুইশ’ বছর ধরে এভাবে ঈদুল ফিতর, ঈদুল আজহা এবং চন্দ্র মাসের সাথে সম্পৃক্ত সব অনুশাসন আমরা পালন করে আসছি।
