সাম্পান ডেস্ক
চট্টগ্রাম চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নাজির আবুল কালাম আজাদ বলেন,বাদী গত ১৬ অক্টোবর আদালতে উপস্থিত হয়ে মামলাটি প্রত্যাহারের আবেদন জানিয়ে ছিলেন।
এর আগে বাদী রনি আক্তার তানিয়ার করা মামলায় গত ৩ অক্টোবর চান্দগাঁও থানা পুলিশ দুদকের সাবেক কর্মকর্তা শহীদুল্লাহকে গ্রেফতার করেছিল।
পরে পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু হলে এ নিয়ে চাঞ্চল্য তৈরি হয়।
আদালাত ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ছৈয়দ মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ ২০১৮ সালে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপ-পরিচালক (ডিডি) পদ থেকে অবসর নেন। তিনি নগরের চান্দগাঁও থানার এক কিলোমিটার এলাকায় বসবাস করতেন। সেখানে জমি নিয়ে স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে তার বিরোধের জেরে গত ২৯ আগস্ট ছৈয়দ মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ ও তার শ্যালক মোহাম্মদ কায়সার আনোয়ারের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন রনি আক্তার তানিয়া নামে এক ব্যক্তি। তবে শহীদুল্লাহর পরিবারের দাবি, রনি আক্তার তানিয়া নামের কেউ তাদের বাড়িতে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতেন না। তাদের দাবি, হয়রানি করতেই প্রতিপক্ষের লোকজন বাদীকে দিয়ে মিথ্যা মামলাটি করিয়েছিলেন। আদালত মামলার শুনানি শেষে ওই দিনই অপরাধ আমলে নিয়ে অভিযুক্ত দুজনের বিরুদ্ধে সমন জারি করেন। ওই সমন সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী হারুন অর রশীদ গায়েব করে ফেলেন। ফলে আসামিরা আদালতে হাজির হওয়ার কোনো সমন পাননি। এরপর মামলার পরবর্তী তারিখ দেন আদালত। ওই তারিখে মামলার বাদী হাজির না হওয়ায় তার আইনজীবী সময়ের আবেদন করেন। কিন্তু ওইদিনই আদালত দুই আসামির বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি করে দেন। এরপর গত ৩ অক্টোবর রাতে শহীদুল্লাহকে বাসা থেকে আদালতের ওয়ারেন্ট দেখিয়ে গ্রেফতার করে নগরের চান্দগাঁও থানা পুলিশ।
