বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২

মিয়ানমার সেনবাহিনী ও আরাকান আর্মির সংঘর্ষের প্রভাব বান্দরবানের নাইক্ষংছড়িতে

প্রকাশ: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ | ৬:১৬ পূর্বাহ্ণ আপডেট: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ | ৬:১৬ পূর্বাহ্ণ
মিয়ানমার সেনবাহিনী ও আরাকান আর্মির সংঘর্ষের প্রভাব বান্দরবানের নাইক্ষংছড়িতে

দিন দিন যেন ভয়ংকর হয়ে উঠছে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা তুমব্রু সীমান্ত।মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও সেদেশের বিদ্রোহী গোষ্ঠি আরাকান আর্মির মধ্যে চলমান সংঘর্ষে ওই এলাকার বাঙালিদের মধ্যে চলছে আতঙ্ক। এরমধ্যে তুমব্রু সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে অন্যথাইন চাকমা নামে স্থানীয় এক যুবক আহত হয়েছে।

শুক্রবার দুপুর দেড়টার দিকে তুমব্রুর চাকমা পাড়া সীমান্তে এই ঘটনা ঘটে।আহত অন্যথাইন চাকমাকে বিকাল সোয়া ৫টার দিকে তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের ভর্তি করা হয়েছে।

আহত চাকমা অন্যথাইন চাকমার মা ইয়াংমে চাকমা জানান, কয়েকজন যুবক মিলে সীমান্তে চারণরত গরু আনতে গেলে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে শুধু অন্যথাইন চাকমা জখম হয়েছে। তার সাথে থাকা অন্য যুবকরা অক্ষত রয়েছে।

দুর্ঘটনার পর অন্যথাইন চাকমাকে প্রথমে কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এনজিও পরিচালিত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে আনা হয়েছে।

আহত অন্যথাইন চাকমার মা ইয়াংমে চাকমা দাবি করেন, সীমান্তে মিয়ানমারের পুঁতে রাখা মাইন বিস্ফোরণে তার ছেলে আহত হয়েছে। তবে এই বিষয়ে বিজিবি অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনি কোনো বক্তব্য জানায়নি।

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান একেএম জাহাঙ্গীর আলম জানিয়েছেন, গত এক মাস ধরে সীমান্তে মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও সেদেশের বিদ্রোহী গোষ্ঠি আরাকান আর্মির মধ্যে উত্তেজনা চলমান রয়েছে। তারা সীমান্ত আইন লঙ্ঘন করে বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে এসে গোলাগুলি চালায়। এর মধ্য দুটি ভারি অবিস্ফোরিত মর্টারশেল ও গুলি বাংলাদেশের ভেতরে এসে পড়ে। এই প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ প্রতিবাদ জানালেও বেশ কয়েকবার সেভাবে সীমান্তের কাছে গোলাগুলি অব্যাহত থাকে। তবে গত পাঁচদিন ধরে সীমান্ত থেকে কিছু দূরে সরে গেছে। তবে অদূরে গোলাগুলি অব্যাহত রয়েছে।

সম্পর্কিত পোস্ট

সর্বশেষ পোস্ট



Shares