সাম্পান ডেস্ক
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে গ্রেফতার করায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন, সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান।
শুক্রবার (৯ ডিসেম্বর) এক বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশ পরিচালনায় সকল ক্ষেত্রে ব্যর্থ হয়ে আওয়ামী সরকার ফ্যাসিবাদী আচরণের আশ্রয় নিয়েছে। মানুষের ভোট ও গণতান্ত্রিক অধিকারকে ধ্বংসের মাধ্যমে সমগ্র দেশটাকে কারাগারে পরিণত করেছে। নেতা কর্মীদেরকে গ্রেফতার এবং তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও কাল্পনিক কাহিনী তৈরী করে মামলা দায়ের করা হচ্ছে। বর্তমানে সরকারের দুঃশাসনের মাত্রা ভয়াবহ রুপ ধারণ করেছে। তারা রাতের অন্ধকারে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও মির্জা আব্বাসকে তুলে নিয়ে গেছে। তারা দুইজনই বয়োজ্যেষ্ঠ নেতা। দেশের এই সম্মানীত দুইজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে রাতের অন্ধকারে তুলে নিয়ে যাওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। এটা ৭১ সালের পাক হানাদার বাহিনীর বর্বরতাকেও হার মানিয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
নেতৃবৃন্দ বলেন, বিএনপিকে দমন পীড়ণের অংশ হিসেবে নেতাকর্মীদের হত্যা, গ্রেফতার, মিথ্যা মামলা দায়ের ও দলীয় কার্যালয় অবরুদ্ধ করে রাখার যে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, তারই ধারাবাহিকতায় গভীর রাতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও মির্জা আব্বাসকে তাদের নিজ নিজ বাসা থেকে গ্রেফতার করেছে।
নেতৃবৃন্দ বলেন, সরকার সংবিধান স্বীকৃত জনগণের অধিকার বাস্তবায়নের পরিবর্তে হুমকি ধমকি ও উস্কানীমূলক যে সব ভাষায় বক্তব্য রাখছেন, তা নিন্দনীয়। তারা দেশকে নৈরাজ্যের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। দেশের জনগণ আজ স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ। জনগণের এই ঐক্যকে কিছুতেই রুখে দেয়া যাবে না। রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে গ্রেফতার ও হয়রানি করে জনগণকে নেতৃত্ব শূন্য করার কোনো পদক্ষেপই সফল হবে না। জনগণ সম্মিলিতভাবে রাজপথে নেমে তাদের কাঙ্কিত বিজয় ছিনিয়ে আনবে।
নেতৃবৃন্দ গ্রেফতার, জুলুম নির্যাতন বন্ধ করে এবং উস্কানীমূলক বক্তব্য পরিহার করে গ্রেফতারকৃত সকল বিএনপি নেতাকর্মীদের মুক্তি দিয়ে দেশে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ফিরিয়ে আনার আহবান জানান।
