বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২

মরদেহ সংরক্ষণের সংকট কাটছে চমেক হাসপাতালে

প্রকাশ: ২৭ জুন ২০২২ | ৭:৩৭ অপরাহ্ণ আপডেট: ২৮ জুন ২০২২ | ৪:৩৮ পূর্বাহ্ণ
মরদেহ সংরক্ষণের সংকট কাটছে চমেক হাসপাতালে

নিজস্ব প্রতিবেদক

মরদেহ সংরক্ষণে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছিলো মাত্র দুইটি ফ্রিজ।এরমধ্যে একটি ছিলো নষ্ট।যে কারণে দীর্ঘদিন ধরে মরদেহ সংরক্ষণ নিয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছিল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও মৃত ব্যক্তির স্বজনদের।তবে এবার সেই সংকট কেটে গেছে অনেকটা। স্বাস্থ্য বিভাগ এখানের জন্য নতুন দুইটি ফ্রিজ বরাদ্দ দিয়েছে।এছাড়া আগের নষ্ট ফ্রিজটা ও মেরামত করা হয়েছে।ল

চমেক হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সেন্ট্রাল মেডিকেল স্টোর ডিপার্টমেন্ট থেকে ক্রয় করা অত্যাধুনিক দুটি ফ্রিজ চলতি মাসের ১৫ জুন চট্টগ্রামে এসে পৌঁছায়। বরাদ্দ পাওয়া দুটি ফ্রিজের মূল্য প্রায় অর্ধকোটি টাকা। ইতোমধ্যে ফ্রিজ দু’টি হাসপাতালের জরুরি বিভাগের পাশে রাখা হয়েছে। যা স্থাপনও করা হবে জরুরি বিভাগের অংশেই।

জানা যায়, পূর্বে ১২টি মরদেহ রাখার জন্য হাসপাতালে দুটি ফ্রিজ রয়েছে। কিন্তু সম্প্রতি সীতাকুণ্ডের ভয়াবহ দুর্ঘটনায় লাশের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় মরদেহ রাখা নিয়ে একপ্রকার হিমশিম খেতে হয়। ফ্রিজ না থাকায় প্রথম কয়েকদিন স্বাভাবিকভাবেই রাখতে হয় মরদেহগুলোকে। এছাড়া অন্যত্রে নিয়েও লাশ রাখতে হয়েছে। অন্যদিকে, দুটি ফ্রিজের মধ্যে একটি ফ্রিজের গ্যাসজনিত সমস্যা দেখা দেয়। তাতে করে মরদেহ রাখা নিয়ে আরও কঠিন পরিস্থিতিতে পড়তে হয়।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছেন, নতুন করে দুটি ফ্রিজ বরাদ্দ পাওয়ায় এখন থেকে মরদেহ রাখা নিয়ে সমস্যায় পড়তে হবে না। তাছাড়া নতুন ফ্রিজ আসার সঙ্গে সঙ্গে ত্রুটি থাকা পুরোনো ফ্রিজটিও সচল করা হয়েছে। ফলে সবগুলো ফ্রিজই এখন সচল রয়েছে। সবমিলিয়ে এখন ২৪টি মরদেহ সংরক্ষণ সম্ভব হবে।

চমেক হাসপাতালের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল শামীম আহসান বলেন, ‘ মরদেহ সংরক্ষণের জন্য গত ১৫ জুন স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে অর্ধকোটি টাকা মূল্যের দুইটি ফ্রিজ পাঠানো হয়েছে।আমরা সেগুলো বসানোর স্থান নির্ধারণ করেছি।কয়েক দিনের মধ্যে ফ্রিজ দুইটি বসানোর কাজ শেষ হবে।আগের নষ্ট ফ্রিজটাও মেরামত করা হয়েছে। এখন আশা করছি বাড়তি মরদেহ রাখতে আর সমস্যা হবে না।

সম্পর্কিত পোস্ট

সর্বশেষ পোস্ট



Shares