সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
বাঁশখালীতে বিএনপির গণ মিছিলে পুলিশের বাধা, গুলি ও হামলা চালিয়ে নেতাকর্মীদের গুরুতর আহত করা এবং মামলা দায়েরের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিএনপি নেতৃবৃন্দ।
রবিবার (২৮ আগষ্ট) এক বিবৃতিতে এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান মীর মো. নাছির উদ্দীন, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা বেগম রোজী কবির, গোলাম আকবর খন্দকার, এস এম ফজলুল হক, চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন, সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, বিএনপির শান্তিপূর্ণ মিছিলে পুলিশের এই ন্যাক্কারজনক হামলার ঘটনা আতঙ্কজনক। এঘটনায় মহিলাদল নেত্রী জান্নাতুন নাঈম রিকু ও শারাবান তহুরা কলি সহ নিরীহ নেতৃবৃন্দকে এভাবে গ্রেফতার করে কারাগার পাটানো ভয়ানক অশুভ সঙ্কেত। এই হামলার ঘটনা সুপরিকল্পিত এবং একারণে সরকারের পতন ত্বরান্বিত হবে।
নেতৃবৃন্দ বলেন, বাঁশখালীতে বিএনপির মিছিলে পুলিশ বিনা কারণে হামলা চালিয়ে নেতাকর্মীদের আহত করে উল্টো তাদের বিরুদ্ধে ৩ টি মামলা দায়ের করেছে। সাবেক মন্ত্রী জাফরুল ইসলাম চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান ও সদস্য সচিব মোস্তাক আহম্মেদ খান সহ শত শত নেতাকর্মীকে মামলায় আসামী করা হয়েছে। এই ঘটনার সময় উপস্থিত না থাকলেও চন্দনাইশ উপজেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক এস এম জসিম উদ্দিন চৌধুরী মিন্টু ও চন্দনাইশ উপজেলা যুবদলের সি. যুগ্ন আহবায়ক মোশারফ হোসেনকে শনিবার গ্রেফতার করে এই মামলায় চালান দিয়েছে।
নেতৃবৃন্দ বলেন, সরকার দুঃশাসন চালু করে মূলত জনগণের প্রতি প্রতিশোধ নিচ্ছে। বিএনপির ওপর নির্বিচারে হামলা ও জীবন কেড়ে নেওয়া আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। বিএনপির শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুলি করা সরকারের এক অশুভ পরিকল্পনার অংশ। মুলত বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও সারসহ ভয়াবহ আর্থিক সংকটকে ধামাচাপা দেয়ার জন্য মানুষের চোখকে অন্যদিকে সরাতেই এই হামলা মামলার ঘটনা ঘটিয়েছে। জনস্বার্থে বিএনপির শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে এ ধরনের বর্বরোচিত হামলা উদ্বেগজনক।
নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে গ্রেফতারকৃত নেতা কর্মীদের নিঃশর্ত মুক্তি দিয়ে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের জোর দাবি জানান।
