বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২

বান্দরবানে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে আসেনি কেউ, পাহাড় ধসের শঙ্কা

প্রকাশ: ২৭ মে ২০২৪ | ১২:৫৮ পূর্বাহ্ণ আপডেট: ২৭ মে ২০২৪ | ১২:৫৮ পূর্বাহ্ণ
বান্দরবানে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে আসেনি কেউ, পাহাড় ধসের শঙ্কা

বান্দরবান প্রতিনিধি :

বান্দরবানে ঝুকিপূর্ণ এলাকা ছেড়ে আশ্রয়কেন্দ্রে আসেনি কেউ, রয়েছে পাহাড় ধসের আশঙ্কা

ঘূর্ণিঝড় রিমাল মোকাবেলায় বান্দরবানে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে প্রশাসন। বান্দরবান ও লামা পৌরসভা, ফায়ার সার্ভিসের এবং স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জেলার বিভিন্ন ঝুকিপূর্ণ এলাকায় বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার জন্য মাইকিং করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে জেলার ৭ উপজেলায় ২১৪টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

বান্দরবানের বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধসের ঝুকিতে রয়েছে কয়েক হাজার পরিবার। ভারি বৃষ্টি পাতের ফলে এসকল ঝুকিপূর্ণ পাহাড় গুলোতে ধসের সৃষ্টি হলে ব্যাপক জানমালের ক্ষতির আশংকা করছেন স্থানীয়রা।প্রশাসনের পক্ষ থেকে বার বার ঝুকিপূর্ণস্থানে বসবাসকারী বাসিন্দাদের নিরাপদে সরে যেতে বলা হলেও এখন পর্যন্ত কেউ আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নেয়নি।

বান্দরবান পৌরসভার মেয়র শামসুল ইসলাম বলেন, জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে আমরা মাঠে কাজ করছি। পাহাড়ের পাদদেশে ঝুকিপূর্ণভাবে বসবাসকারী বাসিন্দাদের নিরাপদে সরিয়ে যাওয়ার জন্য মাইকিং করা হচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় রেমাল মোকাবেলায় প্রশাসন সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।

বান্দরবান জেলা প্রশাসক শাহ মোজাহিদ উদ্দিন বলেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘুর্ণিঝড় রেমাল মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি। ইতোমধ্যে জেলার সাত উপজেলার ৩৪টি ইউনিয়ন ও ২টি পৌরসভায় ২১৪টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এছাড়াও পর্যাপ্ত পরিমাণে শুকনা খাবার, পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি যেকোন ধরনের দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফায়ার সার্ভিস ও রেড ক্রিসেন্টের স্বেচ্ছাসেবক টিম প্রস্তুত ও জরুরি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে।

সম্পর্কিত পোস্ট

সর্বশেষ পোস্ট



Shares