বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২

বন্দরে মাল্টার ঘোষণা দিয়ে আনা হয়েছে সিগারেট

প্রকাশ: ২২ মে ২০২৫ | ৬:৫১ অপরাহ্ণ আপডেট: ২২ মে ২০২৫ | ৭:২২ অপরাহ্ণ
বন্দরে মাল্টার ঘোষণা দিয়ে আনা হয়েছে সিগারেট

সাম্পান ডেস্ক:

বাংলাদেশে মাল্টা আমদানি হয় মিসর, ভুটান, ভারত ও চীন থেকে। তবে মিসরের মাল্টা দুবাই হয়ে চট্টগ্রামে আসার নথি দেখে সন্দেহ দানা বাঁধে কাস্টমস কর্মকর্তাদের। গতকাল বুধবার দিবাগত রাতে কনটেইনার খুলে সেই সন্দেহ সত্যি হয়। মাল্টা নয়, ৪০ ফুট লম্বা কনটেইনারে ছিল সিগারেটের সারি সারি কার্টন।

কনটেইনারের অবস্থান শনাক্ত করে বুধবার দিবাগত রাত দুইটায় কার্টন বের করে গণনা শুরু করেন কর্মকতারা। আজ বৃহস্পতিবার গণনা শেষে কাস্টমস কর্মকর্তারা জানান, কনটেইনারটিতে ১ হাজার ২৫০ কার্টনে ছিল ১ কোটি ২৫ লাখ শলাকা বিদেশি সিগারেট। অবশ্য ৫ হাজার ৪১৮ কেজি মাল্টাও ছিল কনটেইনারে।

কাস্টমস কর্মকর্তারা জানান, সিগারেট আমদানিতে প্যাকেটের গায়ে বাংলায় ধূমপানবিরোধী সতর্কবার্তা লেখা থাকতে হয়। এই শর্ত মেনে আমদানি করলেও ৫৯৬ শতাংশ শুল্ক–কর দিতে হয়। অর্থাৎ সিগারেটের দাম ১০০ টাকা হলে শুল্ক–কর দিতে হবে ৫৯৬ টাকা। সেই হিসাবে জব্দ করা সিগারেটে সরকারের রাজস্ব দিতে হতো ৩০ কোটি টাকা। এই টাকা ফাঁকি দিতেই মিথ্যা ঘোষণার আশ্রয় নেয় আমদানিকারক।

পণ্য আমদানির নথি অনুযায়ী, ঢাকার মালিবাগের আহসান করপোরেশন এই সিগারেট আমদানি করে সংযুক্ত আরব আমিরাতের টুসিয়া ভেজিটেবল অ্যান্ড ফ্রুটস কোম্পানি থেকে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের তথ্যভান্ডার অনুযায়ী, গত বছর কোম্পানিটির কোনো ফল আমদানির নজির নেই। এমনকি যে ফল রপ্তানির তালিকায় যে প্রতিষ্ঠানের নাম দেওয়া হয়েছে, সেটিও গত বছর বাংলাদেশে কোনো ফল রপ্তানি করেনি।

চট্টগ্রাম কাস্টমসের উপকমিশনার কাজী রাইহানুজ জামান বলেন, চালানটিতে ৩০ কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন আমদানিকারক। তবে কাস্টমসের নজরদারিতে তা ধরা পড়েছে। এখন তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এসএস

সম্পর্কিত পোস্ট

সর্বশেষ পোস্ট



Shares