বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২

চাঁদাবাজির মামলায় নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি দেবুসহ ৬ জনের বিচার শুরু

প্রকাশ: ২১ আগস্ট ২০২২ | ৩:৫৫ অপরাহ্ণ আপডেট: ২১ আগস্ট ২০২২ | ৩:৫৬ অপরাহ্ণ
চাঁদাবাজির মামলায় নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি দেবুসহ ৬ জনের বিচার শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রাম নগরের পাঁচলাইশ থানায় চার বছর আগে করা এক কোটি টাকার চাঁদাবাজির মামলায় মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি দেবাশীষ নাথ দেবুসহ ৬ জনের বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

রোববার পঞ্চম অতিরিক্ত চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ নারগিস আক্তার শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন নগর ছাত্রলীগের সাবেক অর্থ সম্পাদক আবু নাছের চৌধুরী, নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সদস্য এ টি এম মঞ্জুরুল ইসলাম, নগরের শুলকবহর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এ কে এম নাজমুল আহসান, যুবলীগ নামধারী ইদ্রিস মিয়া ও ইমরান হোসেন।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. তছলিম উদ্দিন চৌধুরী বলেন, শুনানির সময় জামিনে থাকা ছয় আসামি উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা মামলা থেকে অব্যাহতির আবেদন করেন। পরে শুনানি শেষে আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, প্রবাসের কষ্টার্জিত অর্থ দিয়ে সীতাকুণ্ডের বাসিন্দা বন্ধন নাথের কেনা চট্টগ্রাম নগরের পাঁচলাইশ ষোলোশহর ২ নম্বর গেট এলাকায় ৫৪ শতক জায়গায় বাড়ি করার জন্য আবাসন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ডিজাইন সোর্স লিমিটেডের সঙ্গে চুক্তি করেন। ২০১৬ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি তারা বাড়ির কাজ শুরু করতে গেলে আসামিরা এক কোটি টাকা চাঁদা দাবি করেন। একপর্যায়ে বন্ধন নাথের পিঠে গুলি করা হয়। এমনকি তিনি ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের মেরে ফেলার হুমকি দিলে আসামিদের দেওয়া স্ট্যাম্পে সই করেন তিনি। স্ট্যাম্পে প্রথম পক্ষ রাখা হয় বন্ধন নাথকে। দ্বিতীয় পক্ষ এ টি এম মঞ্জুরুল ইসলামকে। সেখানে ব্যবসায়িক লেনদেন বাবদ বন্ধন নাথের কাছে আসামিরা পাওনা রয়েছেন দেখানো হয়। প্রাইম ব্যাংক লিমিটেড লালদীঘির পূর্ব পাড় শাখার হিসাব নম্বর থেকে পাঁচটি চেকের মাধ্যমে ৭০ লাখ টাকা প্রদান করেন বাদী।

জানা যায়,৭০ লাখ টাকা পেয়েও থেমে থাকেননি আসামিরা। ২০১৮ সালের ২ ফেব্রুয়ারি নির্মাণকাজ করতে গেলে আসামিরা বাকি ৩০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। শেষে বাধ্য হয়ে এই ঘটনায় প্রবাসী বন্ধন নাথ বাদী হয়ে পাঁচলাইশ থানায় মামলা করেন। পরে পুলিশ দেবাশীষ নাথ ও এ টি এম মঞ্জুরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে। আদালতের আদেশে তাঁদের কারা ফটকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। সেখানে ব্যবসায়িক লেনদেনের তথ্য দেখাতে পারেননি আসামিরা। তদন্ত শেষে পাঁচলাইশ থানার তৎকালীন পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ ওয়ালী উদ্দিন আকবর ২০১৯ সালের অক্টোবর মাসে এই মামলার অভিযোগপত্র দেন।

সম্পর্কিত পোস্ট

সর্বশেষ পোস্ট



Shares