নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর আমীর মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেছেন, একটি দুর্নীতিমুক্ত, বৈষম্যহীন ও ন্যায়ভিত্তিক কল্যাণ রাষ্ট্র গঠনের জন্য ‘হ্যাঁ’ ভোটের কোনো বিকল্প নেই।
তিনি বলেন, দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা, জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিতকরণ এবং ইসলাম ও দেশপ্রেমিক শক্তির আলোকে রাষ্ট্র পরিচালনার লক্ষ্যে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে জনমত গড়ে তুলতে হবে।
রবিবার (১৮ জানুয়ারি) রাত ৮টায় চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াতের উদ্যোগে আয়োজিত ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে গণসংযোগ সপ্তাহ উপলক্ষে সদরঘাট থানার মাদার বাড়ি শুভপুর বাস স্ট্যান্ড এলাকায় অনুষ্ঠিত গণসংযোগ ও পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আরও বলেন, ফ্যাসিস্ট স্বৈরশাসকের আমলে সমাজব্যবস্থায় দুর্নীতি, লুটপাট ও বৈষম্য ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। সাধারণ মানুষ ন্যায়বিচার ও মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য নৈতিকতা ও জবাবদিহিতার ভিত্তিতে রাষ্ট্র পরিচালনা জরুরি। জামায়াতে ইসলামী সেই লক্ষ্যেই জনগণের কাছে ‘হ্যাঁ’ ভোট চাচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ’ মানে অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান, ‘হ্যাঁ’ মানে ইনসাফভিত্তিক সমাজ, আর ‘হ্যাঁ’ মানে একটি মানবিক ও কল্যাণ রাষ্ট্রের পথে অগ্রসর হওয়া। তাই জনগণকে বিভ্রান্ত না হয়ে সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে রায় দিতে হবে।
গণসংযোগ ও পথসভায় সদরঘাট থানা আমীর মুহাম্মদ আবদুল গফুরের সভাপতিত্বে এবং থানা সেক্রেটারি সরওয়ার জাহান সিরাজির সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগরীর সাংগঠনিক সম্পাদক ও শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি এস এম লুৎফর রহমান, ছাত্রশিবির চট্টগ্রাম মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি মুহাম্মদ রাকিবুল ইসলাম প্রমুখ।
এছাড়াও বক্তব্য রাখেন সদরঘাট থানা এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি ফজলে এলাহী, মুহাম্মদ শাহীন, প্রশিক্ষণ সেক্রেটারি মাওলানা বেলায়েত হোসাইন, ২৮নং ওয়ার্ড আমীর কবির আহমদ, ২৯নং ওয়ার্ড আমীর মুহাম্মদ ইব্রাহীম, ৩০নং ওয়ার্ড আমীর হারুন অর রশিদ দিদারসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা বলেন, আসন্ন সময় দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্রতিটি ঘরে ঘরে ‘হ্যাঁ’-এর বার্তা পৌঁছে দিতে গণসংযোগ কার্যক্রম আরও জোরদার করতে হবে। পথসভা শেষে নেতাকর্মীরা এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ চালান এবং সাধারণ মানুষের মাঝে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে লিফলেট বিতরণ করেন।
রহা
