বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৩ বছর পর জাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন শুরু

প্রকাশ: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | ৩:০৯ অপরাহ্ণ আপডেট: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | ৩:০৯ অপরাহ্ণ
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৩ বছর পর জাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন শুরু

সাম্পান ডেস্ক

দীর্ঘ ৩৩ বছর পর আবারও অনুষ্ঠিত হচ্ছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন।

বৃহস্পতিবার (১১ আগষ্ট) সকাল ৯টা থেকে একযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১টি আবাসিক হলে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে, যা চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

ভোটগ্রহণের জন্য ২২৪টি বুথে দায়িত্ব পালন করছেন ৬৭ জন শিক্ষক (পোলিং অফিসার) এবং সমসংখ্যক কর্মকর্তা (সহকারী পোলিং অফিসার)। ভোটগ্রহণ শেষে গণনা হবে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে এবং সেখানেই ঘোষণা করা হবে চূড়ান্ত ফলাফল। বিশেষ ওএমআর মেশিনের মাধ্যমে ব্যালট গণনা করা হবে।

নির্বাচনে ভোটাররা কেন্দ্রীয় ও হল সংসদ মিলিয়ে মোট ৪০টি ব্যালটে ভোট দেবেন। এবার জাকসুর মোট প্রার্থীর মধ্যে ২৫ শতাংশ নারী, তবে ভিপি পদে কোনো নারী প্রার্থী নেই। জিএস পদে ১৫ জন প্রার্থীর মধ্যে দুইজন নারী। সবগুলো হল সংসদ মিলিয়ে নারী প্রার্থী দাঁড়িয়েছেন ২৪.৪ শতাংশ। মেয়েদের পাঁচটি হলে ১৫টি পদে কোনো প্রার্থীই নেই।

এবারের নির্বাচনে বাম সংগঠন, ইসলামী ছাত্রশিবির, ছাত্রদল ও স্বতন্ত্রসহ সর্বমোট আটটি প্যানেল অংশ নিচ্ছে।

ছাত্রদল সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে ভিপি পদে লড়ছেন শেখ সাদী হাসান ও জিএস পদে তানজিলা হোসেন বৈশাখী।

বাগাছাসের ‘শিক্ষার্থী ঐক্য ফোরাম’ নেতৃত্ব দিচ্ছেন আরিফুজ্জামান উজ্জ্বল ও আবু তৌহিদ মোহাম্মদ সিয়াম।

ইসলামী ছাত্রশিবিরের ‘সমন্বিত শিক্ষার্থী জোট’ থেকে ভিপি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আরিফুল্লাহ আদিব এবং জিএস পদে মাজহারুল ইসলাম।

‘স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী সম্মিলন’ প্যানেলের ভিপি প্রার্থী আব্দুর রশিদ জিতু ও জিএস প্রার্থী মো. শাকিল আলী।

‘সম্প্রীতির ঐক্য’ প্যানেলে জিএস পদে লড়ছেন শরণ এহসান, এজিএস (পুরুষ) পদে নুর এ তামীম স্রোত ও এজিএস (নারী) পদে ফারিয়া জামান নিকি। তবে এ প্যানেলের ভিপি পদপ্রার্থী অমর্ত্য রায় জনের প্রার্থিতা আদালত বাতিল করেছেন।

ছাত্র ইউনিয়ন–ছাত্রফ্রন্টের ‘সংশপ্তক পর্ষদে’ জিএস পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জাহিদুল ইসলাম ঈমন এবং এজিএস (নারী) পদে সোহাগী সামিয়া জান্নাতুল ফেরদৌস।

নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে ক্যাম্পাসজুড়ে নেওয়া হয়েছে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ১,৫০০ পুলিশ সদস্যের পাশাপাশি মোতায়েন রয়েছে ৭ প্লাটুন বিজিবি ও ৫ প্লাটুন আনসার। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্যরা ক্যাম্পাসের ভেতরে ও বাইরে দায়িত্ব পালন করছেন, যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয়।

জাকসু নির্বাচন কমিশনের সদস্য সচিব অধ্যাপক এ কে এম রাশিদুল আলম জানিয়েছেন, নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের জন্য সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।

এসএস 

সম্পর্কিত পোস্ট

সর্বশেষ পোস্ট



Shares