নিজস্ব প্রতিবেদক
কক্সবাজারে ঘুর্ণিঝড় হামুনের আঘাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে ঘন্টায় ৯০ কিলোমিটার গতি নিয়ে এটি আঘাত হানে।
তার তীব্র বাতাসে সড়কে বড় বড় গাছ ভেঙ পড়েছে।ফলে,বন্ধ হয়ে গেছে যানচলাচল । বাতাসের তীব্র গতিতে অনেক দোকানপাট উড়ে গেছে। বহু পাকা দালান ভেঙে পড়ে হতাহতের খবর পাওয়া গেছে। এখন পর্যন্ত ২ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে।কক্সবাজারের সব ধরনের ফ্লাইট উঠানামা বন্ধ রয়েছে। হামুনের আঘাতে বৈদ্যুতিক খুঁটিঁ ভেঙে পড়ে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে পুরো শহরে। এদিকে কক্সবাজার ছাড়াও ঘুর্ণিঝড় হামুন মহেশখালী ও কুতুবদিয়াতেও ব্যাপক তান্ডব চালায়।
সেখানেও গাছপালা ভেঙে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার খবর পা্ওয়া গেছে।তবে টেনাফ-সেন্টমার্টিনে হামুনের তেমন প্রভাব পড়েনি ।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, ভোর ৪ টার দিকে ঘুর্ণিঝড় হামুন উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হবে। কুতুবদিয়ার কাছ দিয়ে পরবর্তী ৮-১০ ঘন্টার মধ্যে চট্টগ্রাম- কক্সবাজার উপকূল অতিক্রম সম্পন্ন করবে হাসুন ঘুর্ণিঝড়।
এছাড়া চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে ৫ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উপকূল জেলা চট্টগ্রাম , কক্সবাজার, ফেনী, নোয়াখালী,লক্ষ্মীপুর এবং তাদের ।অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলো ৭ নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে বলে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়।
