হাটহাজারী উপজেলার চিকনদণ্ডি ইউনিয়নের খন্দকিয়া গ্রামের আরএনজি কোচিং সেন্টার।ওই কোচিং সেন্টারের আসন্ন এস এস সি ও এইস এসসি পরীক্ষার্থীদের সাথে শিক্ষকরা যাচ্ছিলেন মিরসরাইয়ের খৈয়াছড়ায় শিক্ষা সফরে।মুলত ঝর্ণা এলাকায় পৌঁছানোর একটু আগে মাইক্রোবাসের চালকের অবহেলায় প্রাণ হারালেন ৪ শিক্ষকসহ ১১ জন।এছাড়া এই ঘটনায় আহত হয়েছেন ৬ জন। এদের ৩ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
শুক্রবার (২৯ জুলাই) দুপুর পৌনে ২টার দিকে মীরসরাইয়ের বড়তাকিয়ার খৈয়াছড়া ঝরনার রাস্তার মুখে দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতদের মধ্যে ৪ শিক্ষকের পরিচয় পাওয়া গেছে।তারা হলেন মোস্তাফা মাসুদ রাকিব হোসেন,সজিব, রিদোয়ান, জিসান। নিহত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৬ জনের পরিচয় পাওয়া গেছে।তারা হলেন মোহাম্মদ ইমন, হাসান, আয়াত, তাসনিম,মারুফ, হিসাম। এই ঘটনায় মাইক্রোবাসের চালক গোলাম মোস্তফা নিরুও নিহত হয়েছেন।
নিহত শিক্ষক রাকিবের চাচা জাকির হোসেন বলেন, কোচিং সেন্টারের শিক্ষার্থীদের নিয়ে আমার ভাতিজা রাকিবসহ ৪ শিক্ষক পিকনিকে মিরসরাই যায় ।সেখানে ট্রেনে কাটা পড়ে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে।আহত ৬ জনের মধ্যে ৩ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
চট্টগ্রাম রেলওয়ের ব্যবস্থাপক মুহম্মদ আবুল কালাম চৌধুরী বলেন, প্রভাতী ট্রেনটি মিরসরাইয়ের বড়তাকিয়া ক্রস করছিল।এসময় গেইটমেইন লাল পতাকা উড়িয়ে বাঁশ দিয়ে ব্যারিকেড দেয়।তবে মাইক্রোবাস চালক বাঁশ সরিয়ে রেললাইন পার হতে চেষ্টা করে।মুলত তার অবহেলার কারণেই এত বড় দুর্ঘটনা ঘটেছে।
