আমিনুল ইসলাম খন্দকার, বিশেষ প্রতিনিধি
বান্দরবানের রুমার পর এবার দিনদুপুরে থানচি উপজেলায় সোনালী ও কৃষি ব্যাংকে ডাকাতি করেছে সশস্ত্র গোষ্ঠী কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ)। সন্ত্রাসী দলটি ভেতরে ঢুকেই নিরাপত্তারক্ষীর অস্ত্র কেড়ে নেয় এবং গ্রাহক, কাউন্টার ও ভল্ট থেকে সব টাকা বস্তায় করে নিয়ে যায়।
তাই ৩ পার্বত্য এলাকায় সোনালী ব্যাংকের সকল শাখায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় সতর্কভাবে লেনদেন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই তথ্য নিশ্চিত করেন সোনালী ব্যাংকের জিএম (দক্ষিণ) সাইফুল আজিজ।
বান্দরবান, রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি এই তিন পার্বত্য জেলার ব্যাংকগুলোকে প্রয়োজনের বাইরে লেনদেন না করতে বলা হয়েছে।
সূত্রে জানা যায়, ভল্ট খুলতে না পেরে সন্ত্রাসীরা ক্যাশ কাউন্টারে যেসব টাকা পাচ্ছে সেগুলো নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। এ কারণে সব টাকা ভল্টে রেখে লেনদেন স্থগিত ও বাড়তি নিরাপত্তা নিয়ে ব্যাংকগুলোকে সতর্ক থাকতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বান্দরবানে সোনালী ব্যাংকের শাখা রয়েছে ৭টি, রাঙ্গামাটিতে সোনালী ব্যাংকের শাখা রয়েছে ১৯টি, খাগড়াছড়িতে ৯টি।
নিরাপত্তা জনিত কারণে বান্দরবানের সকল বুধবার (৩ এপ্রিল) দুপুরে ব্যাংকগুলো লেনদেন স্থগিত করে দেয়।
বান্দরবানের রুমার পর এবার থানচি উপজেলায় সোনালী ও কৃষি ব্যাংকে ডাকাতি করেছে সশস্ত্র গোষ্ঠী কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ)। তার পরপরই দুপুরে বান্দরবানের সোনালী ব্যাংকের ৭ টি শাখা রোয়াংছড়ি, থানচি, লামা, আলীকদম, রুমা, বান্দরবান ও নাইক্ষ্যাংছড়িতে ব্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়।
