সাম্পান ডেস্ক
চলতি বছরের শেষে চট্টগ্রামে চালু হতে যাওয়া কর্ণফুলি টানেলের পতেঙ্গা প্রান্তে অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ সড়ক যুক্ত হওয়ায় বড় ধরনের যানজটের শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এর ফলে নদীর তলদেশে নির্মিত দেশের প্রথম টানেলটিতে যান চলাচল ব্যাহত হওয়ার আশংকা করছেন বিশেষজ্ঞরা।
প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ২০৩৫ সাল পর্যন্ত যানচলাচলের কথা মাথায় রেখে টানেলের প্রবেশমুখের নকশা তৈরি করেছেন তারা। যদিও তা নিয়ে ঘোর আপত্তি খোদ চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের।
কর্ণফুলি টানেলের পতেঙ্গা প্রান্তের এই প্রবেশমুখে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, রিং রোড, চট্টগ্রাম বিমানবন্দর সংযোগ সড়কসহ অন্তত ছয়টি রাস্তার ১২টি লেইন যুক্ত হচ্ছে। যা থেকে বড় ধরনের যানজটের আশঙ্কা করছে বিশেষজ্ঞরা। ফলে টানেলের পূর্ণাঙ্গ সুফল পাওয়া নিয়েও তৈরি হয়েছে সংশয়।
বিশেষজ্ঞরা আরো বলছেন, যে কোনো টানেলের মুখেই গাড়ির সোজাসুজি প্রবেশ করা জরুরি। এ ছাড়া নদীর ওপারে মাতারবাড়ি বন্দর, ইকোনমিক জোনসহ বিভিন্ন অবকাঠামো গড়ে উঠলে গাড়ির চাপ বাড়বে।
কর্তৃপক্ষের দাবি, টানেলের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে চালানো সমীক্ষা অনুযায়ী এর ট্রাফিক ব্যবস্থা সাজানো হচ্ছে। এতে আগামী ১৫ বছরে যানজটের কোনো সুযোগ নেই।
তবে প্রকল্প কর্তৃপক্ষের এই দাবি নিয়ে ক্ষোভ জানিয়েছে নগর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। তাদের দাবি, বারবার চেষ্টা করেও বিষয়টি নজরে আনতে পারেনি তারা। এখন রিং রোড প্রকল্পের মাধ্যমে এই মোড়ের নতুন নকশার কাজ চলছে।
