কক্সবাজার প্রতিনিধি
কক্সবাজার পৌর আওয়ামী লীগ নেতা সাইফুদ্দিন হত্যার রহস্যা উদঘাটন হয়েছে।মুলত হত্যাকারী হাফেজ আশরাফুল বেশ কয়েকবার সাইফুদ্দিনের হাতে বলৎকারের শিকার হয়েছিলেন।মুলত সাইফুদ্দিনের উপর ক্ষুদ্ধ হয়েই তাকে নৃশংসভাবে খুন করেছে মাদ্রাসা শিক্ষার্থী আশরাফুল।
আজ মঙ্গলবার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে কক্সবাজারের পুলিশ সুপার মাহফুজুল ইসলাম এই তথ্য জানান।
পুলিশ সুপার মাহফুজুল ইসলাম বলেন,হাফেজ আশরাফুলকে বলাৎকার করে ভিডিও ধারণ করেছিলেন কক্সবাজারে হোটেলে খুন হওয়া আওয়ামীলীগ নেতা সাইফুদ্দিন। ভিডিও ফাঁসের ভয় দেখিয়ে ২য়বার বলাৎকারের জন্য হোটেলে ডাকলে তাঁকে খুন করে আশরাফুল।
এরআগে সোমবার সকালে কক্সবাজার শহরের হলিডে মোড়সংলগ্ন আবাসিক হোটেল সানমুনের দ্বিতীয় তলার ২০৮ নম্বর কক্ষ থেকে দুই হাত বাঁধা অবস্থায় সাইফুদ্দিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।সাইফুদ্দিন কক্সবাজার শহরের ঘোনারপাড়ার অবসরপ্রাপ্ত আনসার কমান্ডার আবুল বশরের ছেলে। তিনি কক্সবাজার পৌর আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক এবং জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহসাধারণ সম্পাদক। তিনি কাদেরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছিলেন।
হোটেল সানমুনের একটি সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়,রবিবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে সাদা পাঞ্জাবি ও মাস্ক পরিহিত এক যুবককে সঙ্গে নিয়ে হোটেলটিতে গিয়েছিলেন সাইফুদ্দিন। রাত ৮টা ১০ মিনিটের পর ওই যুবক চলে যান। যা দেখা গেছে হোটেলটির সিসিটিভি ফুটেজে। এর পরই সংশ্লিষ্টরা যুবকের পরিচয় জানতে উদগ্রীব হয়ে পড়েন। তাকে শনাক্ত করতে জোর তৎপরতা শুরু করে পুলিশ।একপর্যায়ে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে সোমবার মধ্যরাতে শহরের পাহাড়তলী থেকে আশরাফুল ইসলামকে আটক করা হয়।
আশরাফুল ইসলাম কক্সবাজার পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পাহাড়তলী ইসলামপুর এলাকার মোহাম্মদ হাশেম মাঝির ছেলে। তিনি ওই এলাকার ওয়ামি একাডেমি নামে একটি মাদ্রাসার ছাত্র।
