বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২

আগামী নির্বাচনের আগে বিটিভির আরও ৬টি চ্যানেল

প্রকাশ: ২৭ ডিসেম্বর ২০২১ | ৭:৪৪ পূর্বাহ্ণ আপডেট: ২৭ ডিসেম্বর ২০২১ | ৭:৫০ পূর্বাহ্ণ
আগামী নির্বাচনের আগে বিটিভির আরও ৬টি চ্যানেল

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন,
ড. হাছান মাহমুদ আরো বলেন, বাংলাদেশ টেলিভিশন ১৯৬৪ সালে যাত্রা শুরু করেছিল। এই উপমহাদেশে তথা সমগ্র বিশ্বে এটি প্রথম বাংলা ভাষার টিভি চ্যানেল। এখন বিটিভির চারটি চ্যানেল সম্প্রচারে আছে এবং আগামী সংসদ নির্বাচনের আগেই আমরা আরো ৬টি চ্যানেল চালু করতে যাচ্ছি। এসময় দেশ গঠনে এবং আবহমান বাংলার সংস্কৃতি লালনের জন্য বাংলাদেশ টেলিভিশনে নানা অনুষ্ঠান প্রচারিত হয়ে আসছে এবং বিটিভিকে আরো এগিয়ে নেয়ার নানা পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান।

গত শনিবার বিটিভির ৫৭ তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এক সভায় তিনি এই কথা বলেন।এইসময় তিনি সিএইচডি সম্প্রচারের উদ্বোধন ছাড়াও বিটিভি ভবনে বঙ্গবন্ধু কর্ণার, রঙতুলিতে বঙ্গবন্ধু চিত্রকর্ম উদ্বোধন করেন।

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে বেসরকারি টেলিভিশনগুলো যারা পরিচালনা করছেন এবং প্রথিতযশা যেসব টিভি সাংবাদিকরা রয়েছেন, তাদের অনেকেরই হাতেখড়ি বাংলাদেশ টেলিভিশনে। তাই বিটিভি হচ্ছে, সকল টেলিভিশন চ্যানেলের আতুরঘর।

তিনি বলেন,বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি)। প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে রাষ্ট্রায়ত্ত এই গণমাধ্যমটির ব্যাপক পরিবর্তন হয়েছে। এ ধারাবাহিকতায় এবার বিটিভির পর্দায় যুক্ত হলো এইচডি (হাই ডেফিনেশন)। যার ফলে আরও স্বচ্ছভাবে চ্যানেলটির সকল আয়োজন উপভোগ করতে পারবেন দর্শকরা।

বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক সোহরাব হোসেনের সভাপতিত্বে তথ্য ও সম্প্রচার সচিব মো. মকবুল হোসেন এবং বিটিভির সাবেক মহাপরিচালক ম. হামিদ বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট দপ্তর প্রধানগণ, বিটিভির তালিকাভুক্ত প্রবীণ ও নবীন শিল্পীরা উপস্থিত ছিলেন।

তথ্য ও সম্প্রচার সচিব মো. মকবুল হোসেন বলেন, বিটিভি ৫৮ বছরে পা রাখলো। এই প্রতিষ্ঠানটি আজকে অনেক বড় একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনাসমৃদ্ধ এই বাংলাদেশর সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে যারা লালন পালন করেন এবং জাতি গঠনে শিল্প-সংস্কৃতি যে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, সংস্কৃতির সেই পরিমন্ডল তৈরি করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে বিটিভি।

বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক সোহরাব হোসেন বলেন, বাংলাদেশ টেলিভিশন ধীরে ধীরে আজকের এই পর্যায়ে এসেছে। এই টেলিভিশনের অনুষ্ঠানগুলো ভিন্ন আঙ্গিকের। এখানে জনসংখ্যা সমস্যা, মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ, যৌতুকপ্রথা, এসব সমস্যা সংক্রান্ত অনুষ্ঠানের পাশাপাশি তথ্য, বিনোদন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি সব ধরণের অনুষ্ঠানই প্রচার হয়ে আসছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বাস্তবায়নে আমরা মিডিয়া হিসেবে অবদান রাখতে চাই। প্রতিষ্ঠাবর্ষিকীতে আমরা নতুন উদ্যমে কাজ করার অঙ্গীকার করছি।

সম্পর্কিত পোস্ট

সর্বশেষ পোস্ট



Shares