চবি প্রতিনিধি
আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে ।চার ইউনিট ও দুই ইউনিটে এই পরীক্ষা ২৪ আগস্ট শেষ হবে।
জানা যায়,২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষে মোট সিট আছে ৪ হাজার ৯২৬টি।ভর্তি পরীক্ষার জন্য আবেদন করেছেন ১ লাখ ৪৩ হাজার ৭২৪ জন শিক্ষার্থী। সে হিসেবে প্রতি আসনের বিপরীতে লড়বেন ২৯জন শিক্ষার্থী। এরমধ্যে ১৬ আগস্ট দুই শিফটে ‘এ’ ইউনিট, ১৯ আগস্ট ‘সি’ ইউনিট, ২০ আগস্ট ‘বি’ ইউনিট, ২২ আগস্ট ‘ডি’ ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়া ২৪ আগস্ট সকালে উপ-ইউনিট ‘বি-১’ ও একই দিন বিকেলে ‘ডি-১’ ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
এবার ‘এ’ ইউনিটে সকাল ও বিকাল দুই শিফটে ২৭ হাজার ৫৩ জন করে পরীক্ষা দিবেন মোট ৫৪ হাজার ১০৬ জন।‘বি’ ইউনিটে সকাল শিফটে ১৭ হাজার ৮৯০ জন ও বিকাল শিফটে ১৭ হাজার ৮৮৯জন করে মোট ৩৫ হাজার ৭৭৯জন। ‘সি’ ইউনিটে সকাল শিফটে ১১ হাজার ৬০জন ও সমন্বিত ‘ডি’ ইউনিটে সকাল ও বিকাল দুই শিফটে ১৯ হাজার ৬৯৬ জন করে মোট ৩৯ হাজার ৩৯২ জন ভর্তিচ্ছু পরীক্ষা দিবেন। এছাড়া উপ-ইউনিট দুটির মধ্যে ‘বি ১’ ইউনিটে পরীক্ষা দিবেন ১ হাজার ৫৭৯ জন ও ‘ডি ১’ ইউনিটে ১ হাজার ৮১১ জন ভর্তিচ্ছু পরীক্ষা দিবেন।
এদিকে সুষ্ঠুভাবে ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে প্রশাসন। রয়েছে পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। দূর-দূরান্ত থেকে আগত নারী অভিভাবকদের জন্য চারটি ছাত্রী হলেই বিশ্রামাগার প্রস্তুত করা হয়েছে। শহর থেকে আগত ভর্তিচ্ছুদের জন্য শাটল ট্রেনের আরো চারটি ট্রিপ বাড়ানো হয়েছে, অস্থায়ী বাথরুম ও বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করা হয়েছে।ক্যাম্পাসের ভেতর অস্থায়ী খাবারের দোকান বসানো ও পোস্টারিং নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সব প্রকার র্যাগিং নিষিদ্ধ করা হয়েছে।মেডিকেল টিম ও এম্বুলেন্স প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এছাড়া জায়গায় জায়গায় পর্যাপ্ত পরিমাণ লাইট ও সিসি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে।
জানা যায়,ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে গাড়ি ভাড়া ও হোটেলগুলোতে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের ব্যাপারে কঠিন পদক্ষেপ নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। অতিরিক্ত টাকা আদায় করা হলে সরাসরি প্রক্টর অফিসে অভিযোগ জানাতেও বলা হয়েছে। এছাড়া শহর থেকে ক্যাম্পাস পর্যন্ত প্রতিটি জায়গায় পুলিশ মোতায়েন করা থাকবে, যাতে ভর্তিচ্ছুরা কোনোরকম সমস্যায় না পড়ে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. রবিউল হাসান ভূঁইয়া বলেন,এবারের ভর্তি পরীক্ষায় প্রায় সাত শতাধিক নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হবে। এদের মধ্যে পুলিশ, র্যাব ডিবিসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা নির্ধারিত পোশাক ও সিভিল পোশাকে নিয়োজিত থাকবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনসিসি, রোভার স্কাউট, ও নিরাপত্তা দফতরের সদস্যরাও সার্বক্ষণিক থাকবেন। এছাড়া প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরাও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে থাকবেন।
